গর্ভাবস্থায় হাইপারটেশন নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়

ঢাকা, ৩ অক্টোবর, ২০১৮ | 2 0 1

গর্ভাবস্থায় হাইপারটেশন নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ০৬, ২০১৯

গর্ভাবস্থায় হাইপারটেশন নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়

বেশিরভাগ গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যেই হাইপারটেশনের সমস্যা লক্ষ্য করা যায়। তবে অনেক মহিলা আবার গর্ভবতী হওয়ার আগে থেকেই হাইপারটেনশনের সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, গর্ভবতী হওয়ার পরই হাইপারটেনশনের সমস্যা শুরু হয়।

যদি গর্ভবতী হওয়ার ২০ সপ্তাহ আগে হাইপারটেনশান ধরা পড়ে, সে ক্ষেত্রে একে ‘এসেন্সিয়াল হাইপারটেনশন’ বলা হয়। আর যদি গর্ভবতী হওয়ার পর হাইপারটেনশন ধরা পড়ে তখন একে ‘প্রেগনেন্সি ইন্ডিউজড হাইপারটেনশন’ বলা হয়ে থাকে। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন হাইপারটেনশন কমানোর ওষুধ খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। গর্ভাবস্থায় হাইপারটেশনের সমস্যায় কী করা উচিত আর কোন বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা জরুরি, আসুন সে বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।

করণীয়:

গর্ভাবস্থায় হাইপারটেশনের সমস্যা দেখা দিলে, চিকিত্সকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। যদি আগে থেকেই হাইপারটেনশনের সমস্যা থাকে সে ক্ষেত্রে তা চিকিত্সকে জানাতে ভুলবেন না। এছাড়া গর্ভাবস্থায় চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করান। ২৮ সপ্তাহ পর্যন্ত মাসে একবার করে রক্তচাপ পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এর পর ২৮ সপ্তাহ থেকে ৩৬ সপ্তাহের মধ্যে মাসে ২ বার করে রক্তচাপ পরীক্ষা করা জরুরি।

লক্ষণ:

গর্ভাবস্থায় হাইপারটেশনের সমস্যা থাকলে নানা রকম লক্ষণ প্রকাশ পায়, যেগুলো থেকে হাইপারটেশনের সমস্যা চিহ্নিত করা সম্ভব। গর্ভাবস্থায় পা ফুলে যাওয়া খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু যদি দেখেন যে, পা ফোলা কোনো মতেই কমছে না তখন চিকিত্সকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও পেটে ব্যথা, মাথা ব্যথা, হাতের তালু ফুলে যাওয়া বা দৃষ্টি শক্তি ক্ষীণ হয়ে যাওয়া এই রোগের লক্ষণ।

প্রতিকার:

হাইপারটেশনের শিকার হলে চিকিত্সক ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ মেনে খাবার খাওয়া উচিত। চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে, রক্তচাপ বা হাইপারটেশনের ওষুধ খাওয়া জরুরি। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে চলা জরুরি।

ইসি/

 

নারী-স্বাস্থ্য: আরও পড়ুন

আরও