দার্জিলিং মানেই টয় ট্রেন নয়, কাঞ্চনজঙ্ঘায় অচেনা জনপদ!

ঢাকা, ১ জুন, ২০১৯ | 2 0 1

দার্জিলিং মানেই টয় ট্রেন নয়, কাঞ্চনজঙ্ঘায় অচেনা জনপদ!

পরিবর্তন ডেস্ক ২:৪৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ০২, ২০১৯

দার্জিলিং মানেই টয় ট্রেন নয়, কাঞ্চনজঙ্ঘায় অচেনা জনপদ!

ঝলমলে রোদ, নীল আকাশ। আর তারই গায়ে যেন হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা, সারা শরীরে বরফের চাদর চাপিয়ে। দার্জিলিং জেলার এক ছোট্ট গ্রাম, নাম চারখোল। ডিসেম্বর মাস। বিকেল না হতেই তাপমাত্রা পৌঁছে যায় ৬ ডিগ্রিতে। চারখোল পৌঁছতে যে রাস্তা দিয়ে গাড়ি আসে, তাতে শরীরের হাল একেবারে বেহাল হয়ে যায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখে কোনো কষ্টই যেন অনুভব করা যায় না।

চারখোল থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায় একেবারে কাছে। কিন্তু জায়গাটা যে সম্পূর্ণ পাহাড়ে ঘেরা! তা হলে তাকে দেখবেন কী করে? স্থানীয়দের জিজ্ঞাসা করলে আঙুল তুলে দেখিয়ে দেবে। যেদিকে দেখাবে সেদিকে হয়তো তখন জমাট কুয়াশা থাকে। সেদিন আর কোনোভাবেই তার দর্শন হবে না। অপেক্ষা করতে হবে পর দিন ভোরবেলার।

চারখোলে ইলেকট্রিসিটি বেশির ভাগ সময়ই থাকে না। তাই এদিক-ওদিক বিশেষ না করে তাড়াতাড়ি খাওয়াদাওয়া সেরে মোটা লেপের তলায় ঢুকে পড়াই ঠিক কাজ হবে।

ঘুম থেকে উঠেই দৌড় লাগান। আর ওকাহ্নে যেয়ে যা দেখবেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। ঝলমলে রোদ, নীল আকাশ। আর তারই গায়ে যেন হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা, সারা শরীরে বরফের চাদর চাপিয়ে।

নীল আকাশ, সবুজ কুয়াশা-ঘেরা পাহাড়ের দল, জানা-অজানা বাহারি ফুল, হাসিখুশি মানুষজন আর বিস্ময়ে ঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘা— সব মিলিয়ে চারখোল যেন ছোট্ট এক টুকরো স্বর্গ।
হতো আপনার মনের ভিতর মনটা বলে উঠবে, আর ফিরব না। থেকে যাব এখানেই। অপার্থিব প্রকৃতি ও পাহাড়ের এই সরল মানুষগুলোর মাঝে।

যেভাবে যাবেন:
• দার্জিলিং ট্যাক্সিস্ট্যান্ড থেকে প্রথমে চারখোল যেতে হলে এনজেপি থেকে গাড়ি ভাড়া করা যায়।
• এ দিকের রাস্তা খুবই খারাপ। ফলে এদিক-ওদিক ঘুরতে গেলে দিনের আলো থাকতেই হোম-স্টেতে ফিরে আসা ভালো।
• প্রয়োজনীয় জিনিসের মধ্যে টর্চ ও ছাতা অবশ্যই রাখবেন।
• কয়েকটি রিসর্ট রয়েছে, যার মধ্যে চারখোল রিসর্টের ব্যবস্থাপনা বেশ ভাল। হোম-স্টে রয়েছে অন্যান্য পাহাড়ি জায়গার মতো।

ইসি/

 

 

ভ্রমণ: আরও পড়ুন

আরও