‘আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশে মাদার বোর্ড উৎপাদন’

ঢাকা, বুধবার, ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ | ৩ মাঘ ১৪২৫

‘আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশে মাদার বোর্ড উৎপাদন’

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৭:৩৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১০, ২০১৯

‘আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশে মাদার বোর্ড উৎপাদন’

ডিজিটাল সরকারের প্রতিটি সেবা স্মার্টফোনে পাওয়া যাবে। মানুষ তার সকল সেবা আঙ্গুলের ডগা থেকে সংগ্রহ করতে পারবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘স্মার্টফোন অ্যান্ড ট্যাব এক্সপো ২০১৮’ তিন দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের ডিজিটাল পরিকল্পনার এসব কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি সেবাগুলো ডিজিটালাইজড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং বাস্তবায়নের কাজও করছি। সরকারের প্রত্যেকটি সেবার মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে স্মার্টফোন। অর্থাৎ সরকার যে সেবা জনগণকে দেবে কিংবা সরকার নিজেরাও ব্যবহার করবে তাকে স্মার্টফোন ভিত্তিক করা হয়েছে। সেবাটি মূলত স্মার্টফোন কেন্দ্রিক হবে যা ল্যাপটপ বা ট্যাব বা অন্যান্য মাধ্যমেও ব্যবহার করা যায়।

তিনি বলেন, যতগুলো সেবা স্মার্টফোন কেন্দ্রিক তৈরি করা হচ্ছে, সেগুলো চালু হলে স্মার্টফোন একটা জীবন ধারা তৈরি করবে।

এসময় তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল সরকার মানে হচ্ছে কাগজবিহীন সরকার। আর কাগজবিহীন সরকার মানে হচ্ছে পকেট থেকে স্মার্টফোন বের করে সরকারের সাথে যোগাযোগ থেকে শুরু করে পুরোটা আঙ্গুলের ডগায় থাকবে।’



মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশের জন্য সম্ভবত এটা অন্যতম একটা মাইলফলক কাজ হবে। সেটা হচ্ছে আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশে মাদার বোর্ড উৎপাদিত হবে। মাদারবোর্ড তৈরির ক্ষেত্রে কাঁচামাল দরকার, সেখানে যেসব প্রতিবন্ধকতা ছিল সেগুলোও দূর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা আমদানি নির্ভর বাংলাদেশ এখন উৎপাদন করি এবং রফতানিও করি। আমরা ল্যাপটপ রফতানি করেছি এবং স্মার্টফোনও রফতানি করেছি। আমি বিশ্বাস করি ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডিজিটাল যন্ত্র উৎপাদন ও রফতানিতে মাইলফলক হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

দেশের সকল ডাকঘরকে ডিজিটাল করার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের সমস্ত ডাকঘর ডিজিটাল ডাকঘরে পরিণত হবে। ডিজিটাল ডাকঘর থেকে সকল সেবা পাবে মানুষ। সেখানে যারা কর্মরত রয়েছেন, তাদেরকেও ডিজিটালভাবে শিক্ষিত করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, কৃষি ভিত্তিক একটা দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে বদলে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলেছিলেন, আজকে তা বাস্তবে করে দেখিয়েছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মেলার স্টলগুলো ঘুরে দেখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

স্মার্টফোন অ্যান্ড ট্যাব এক্সপো ২০১৮’ তিন দিনব্যাপী মেলার আজকে ছিল প্রথম দিন, চলবে ১৩ জানুয়ারি শনিবার পর্যন্ত।

মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

মেলায় দেশের স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সর্বশেষ মডেলের ডিভাইস পরখ করে দেখার সুযোগ দিচ্ছে বিশ্বখ্যাত স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো।

দেশে স্মার্টফোন ও ট্যাব নিয়ে এটিই সবচেয়ে বড় আয়োজন। ১১তম বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ মেলা। অনুষ্ঠানের আয়োজক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আছে, এক্সপো মেকার।

টিএটি/এএসটি