তুরস্কে ‘মাওলানা জাদুঘর’ ৩য় জনপ্রিয় স্থান

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

তুরস্কে ‘মাওলানা জাদুঘর’ ৩য় জনপ্রিয় স্থান

পরিবর্তন ডেস্ক ৭:১০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০১৯

তুরস্কে ‘মাওলানা জাদুঘর’ ৩য় জনপ্রিয় স্থান

১৩ শতকের মুসলিম ধর্মতাত্ত্বিক সুফি ও কবি মাওলানা জালালউদ্দীন রুমী (রহ.) সারা পৃথিবীতে সুপরিচিত। তারই স্মরণে ১৯২৭ সালে তুরস্কের মধ্য আনাতোলিয়ার কোনিয়ায় প্রতিষ্ঠিত মাওলানা যাদুঘর (Mevlana Museum) বর্তমানে তুরস্কের সকল যাদুঘরের মধ্যে জনপ্রিয়তায় ৩য় অবস্থানে রয়েছে।

জাদুঘরটি পরিদর্শনে বিগত ২০১৮ সালে তুরস্ক ও বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে সর্বমোট ২৮ লাখের মত পর্যটক এসেছে। ইস্তানবুলের হাজিয়া সোফিয়া ও তোপকাপি প্রাসাদই শুধু এই যাদুঘরের আগে অবস্থান করছে।

কোনিয়ার প্রাদেশিক সংস্কৃতি ও পর্যটন বিভাগের পরিচালক আবদুস সাত্তার ইয়ারার জানান, গত ছয় মাসে এই যাদুঘরে পর্যটকদের সংখ্যা ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এবং যাদুঘরটি পরিদর্শনে আসা অন্যান্য দেশের পর্যটকদের মধ্যে ইরানি, চীনা, আমেরিকান, তাইওয়ানি ও দক্ষিন কোরীয়দের সংখ্যা বেশি।

জালালুদ্দিন রুমি (রহ.) এর কবর। ছবি: উইকিপেডিয়া

তিনি বলেন, পরিদর্শনকারীদের আমরা মাওলানা রুমীর সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শহরের ঐতিহাসিক, পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, বিশেষ করে মাওলানা রুমী সম্পর্কে আমাদের প্রচারণার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

জাদুঘরের ভেতর থেকে উপরে গম্বুজের নকশা। ছবি: ইন্টারনেট

কোনিয়া শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত কারাতাই জেলায় মাওলানা রুমীর মাজারের নিকট যাদুঘরটি অবস্থিত। এটি মূলত রুমী ও তার অনুসারীদের খানকা তথা আবাসস্থল ছিল যা ১৯২৭ সালে যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়।

জাদুঘরের ভেতরের দৃশ্য। ছবি: ইন্টারনেট

মাওলানা জালালউদ্দীন রুমী ১২০৭ সালে তৎকালীন খাওয়ারেজম সাম্রাজ্যের অধীন বলখে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে মোঙ্গল আক্রমনের প্রেক্ষিতে তিনি সপরিবারে আনাতোলিয়ার সেলজুক সাম্রাজ্যের রাজধানী কোনিয়ায় চলে আসেন। অবশেষে ১২৭৩ সালের ১৭ই ডিসেম্বর কোনিয়ায় মাওলানা রুমী ইন্তেকাল করেন।

এমএফ/

 

তাহজিব / মুসলিম ঐতিহ্য : আরও পড়ুন

আরও