শিশু তুহিন হত্যায় রিমান্ড শেষে কারাগারে বাবা-চাচা

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

শিশু তুহিন হত্যায় রিমান্ড শেষে কারাগারে বাবা-চাচা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ৮:১৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৮, ২০১৯

শিশু তুহিন হত্যায় রিমান্ড শেষে কারাগারে বাবা-চাচা

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে শিশু তুহিন হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে তুহিনের বাবা ও চাচাসহ তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনদিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার বিকেলে তিন আসামিকে সুনামগঞ্জ চিফ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (দিরাই জোন) বিচারক মো. খালেদ মিয়ার আদালতে হাজির করে পুলিশ।

আদালত তিন আসামি তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির, চাচা আব্দুল মোছাব্বির ও জমসেদকে জেলহাজতে পাঠানো নির্দেশ দেন।

দিরাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম নজরুল ইসলাম জানান, তিনদিনের রিমান্ড শেষে নিহত তুহিনের বাবা আব্দুল বাছিরসহ তিন আসামিকে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। আমরা তাদের হাজির করেছি। আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর বিকেলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (দিরাই জোন) বিচারক মো. খালেদ মিয়ার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দেয় তুহিনের চাচা নাছির ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার।

একই সময়ে সুনামগঞ্জ চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম কান্ত সিনহার আদালতের পুলিশ তুহিন হত্যা মামলায় তুহিনের বাবা আব্দুর বাছির, চাচা আব্দুল মোছাব্বির ও জামসেদ আলীর পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা দিরাই থানার এসআই মো. আবু তাহের মোল্লা। আদালত আসামিদের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে সিলেটের ডিআইজি মো. কামরুল আহসান, অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব ভদ্র, রেঞ্জ এসপি নূরুল ইসলাম ও সুনামগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউরা গ্রামের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ অক্টোবর রাত ১টার দিকে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউড়া গ্রামে তুহিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরদিন ভোরে গাছের সঙ্গে ঝুলানো অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার

করে পুলিশ। এ সময় তুহিনের কান ও লিঙ্গ কাটা এবং পেটে দুটি ধারালো ছুরিবিদ্ধ ছিল।

এইচআর

 

সিলেট: আরও পড়ুন

আরও