নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে মৌলভীবাজারের ৫ গ্রাম

ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে মৌলভীবাজারের ৫ গ্রাম

এম ইদ্রিস আলী, মৌলভীবাজার ৮:০৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০১, ২০১৯

নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে মৌলভীবাজারের ৫ গ্রাম

মৌলভীবাজারে মনু নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নের ৫টি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অবিলম্বে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে মনু নদীর অপর অংশকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য জেলা প্রশাসনসহ সরকারি দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে আবেদন করেছেন এলাকাবাসী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছরই সদর উপজেলার মনু নদীর দুর্লভপুর অংশে বালু উত্তোলন করা হয়। এ বছর তিনটি ড্রেজার দিয়ে ব্যাপকভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বেপরোয়াভাবে বালু উত্তোলনের ফলে ৭নং চাঁদনিঘাট ইউনিয়নের মমরুজপুর, আসিয়া, গদাধরভাগ, ঢেউপাশা ও বালিকান্দি গ্রামের বিভিন্ন অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এমনকি তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও নদীতে বিলীন হওয়ার পথে।

বালু মহালের ইজারাদাররা প্রভাবশালী হওয়ার কারণে কোনো মানুষেরই অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা আমলে নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে অচিরেই এই গ্রামগুলোর অনেকাংশ নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তারা।

স্থানীয় গোলাম কবির চৌধুরী, মো. ফয়জুল, ছুফান মিয়া, আজম মিয়াসহ আরও অনেকেই বলেন, বালুর যিনি ইজারাদার দাবি করেন তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় ইচ্ছেমতো বালু উত্তোলন করে যাচ্ছেন। আমাদের গ্রামের অনেক অংশ এখন বিলীন হয়ে গেছে। হুমকিতে রয়েছে প্রাইমারি স্কুলও। তারপরও তিনি অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে দিনের পর দিন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে সারা গ্রামই বিলীন হয়ে যাবে।

জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার জেলা অফিসের সহকারী পরিচালক মো. বদরুল হুদা বলেন, ‘এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখনও পাইনি। বালু ইজারার বিষয়টি জেলা প্রশাসন দেখে। যদি কেউ জেলার প্রশাসনের অনুমতির বাইরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সেই ক্ষেত্রে আমরা ব্যবস্থা নেব।’



তিনি আরও বলেন, ‘বালু উত্তোলনের কারণে যদি পরিবেশে ক্ষতিকারক প্রভাব পড়ে তাহলে আমরা জেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করব। পরে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

এইচআর

 

সিলেট: আরও পড়ুন

আরও