মাগুরায় প্রকাশ্যে লিসান হত্যার ঘটনায় দুই সন্দেহভাজন আটক

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

মাগুরায় প্রকাশ্যে লিসান হত্যার ঘটনায় দুই সন্দেহভাজন আটক

মাগুরা প্রতিনিধি ৩:৩৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৮, ২০১৯

মাগুরায় প্রকাশ্যে লিসান হত্যার ঘটনায় দুই সন্দেহভাজন আটক

মাগুরায় লিসানুর রহমান (১৭) হত্যার ঘটনায় দুই সন্দেহভাজনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। 

আটকেরা হলেন- পৌর এলাকার নিজনান্দুয়ালী  গ্রামের রেজাউল শেখের ছেলে রবিন (১৮) ও একই এলাকার ফারুক হোসেনের ছেলে হাসান (১৮)। 

পুলিশ বলছে, আটক দুইজনই হত্যার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। তবে মূল অভিযুক্ত সোহেল সহ আরও কয়েকজন সন্দেহভাজনকে এখনো আটক করা যায়নি।

সোমবার সকালে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন মাগুরার পুলিশ সুপার খান মুহাম্মদ রেজোয়ান। 

এসময় অতিরক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলামসহ পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার দুপুর একটার দিকে শিবরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে প্রকাশ্যে ছুরি চালিয়ে হত্যা করা হয় লিসানুর রহমান ওরফে লিসানকে। 

নিহত লিসান মঠবাড়িয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল সে।

পুলিশ সুপার খান মুহাম্মদ রেজোয়ান বলেন, রোববার কলেজ শেষে দুই মোটরসাইকেলে শিবরামপুর গিয়েছিল লিসানুর সহ পাঁচজন।  ফিরতি পথে শিবরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ছুরিকাঘাত করা হয় লিসানকে।  এসময় তার মোটরসাইকেলে আরও দুই আরোহী দিপু ও হাসান ছিল। এর মধ্যে দিপু প্রতিহত করতে গেলে তার ওপরও হামলা হয়। হামলার চেষ্টা করা হয় হাসানের উপরও।  তাদের সামনের মোটরসাইকেলে ছিল শামিম ও রবিন। গুরুতর আহত লিসানকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে আনার পর তার মৃত্যু হয়। 

তবে এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছে দিপু।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, লিসানের ওপর হামলা চালায় একজনই।  তার নাম সোহেল (১৮)।  সে শিবরামপুর গ্রামের টিপুর ছেলে। তবে প্রাথমিক তদন্তে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে লিসানের বন্ধু শামিম ও রবিনসহ কয়েকজন  জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

হত্যার কারন সম্পর্কে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। মূল অভিযুক্ত আটক হলে বিষয়টি পরিস্কার হওয়া যাবে। তবে লিসান ও শামিমের পূর্ব বিরোধের কিছু যোগসূত্র সামনে এসেছে।  এছাড়া আরও কিছু বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করছে পুলিশ।

এফপি/এএসটি

 

খুলনা: আরও পড়ুন

আরও