আগামীর বাংলাদেশ হবে সুন্দর বাংলাদেশ: পরিকল্পনামন্ত্রী

ঢাকা, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৯ | ২৪ কার্তিক ১৪২৬

আগামীর বাংলাদেশ হবে সুন্দর বাংলাদেশ: পরিকল্পনামন্ত্রী

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ১০:২১ পূর্বাহ্ণ, জুন ০৫, ২০১৯

আগামীর বাংলাদেশ হবে সুন্দর বাংলাদেশ: পরিকল্পনামন্ত্রী

পরিকল্পন্মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ইনশাল্লাহ বাংলাদেশের সঙ্গে সুনামগঞ্জ জেলাও সমান তালে এগিয়ে যাবে। সেই বাংলাদেশ হবে একটি সুন্দর বাংলাদেশ। যেখানে সকল মানুষ, সকল নাগরিক, সকল মতের পথের মানুষ সকল আইনের সুরক্ষায় মর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে পারবে। সেই লক্ষ্য হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মূললক্ষ্য।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আমরা সুনামগঞ্জবাসী তার এই লক্ষ্যের সাথে আমরা একমত। তাই আপনাদের নিবেদন রাখব, আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের সকল ভাল কাজে আপানারা সমর্থন করবেন, সাহায়্য করবেন। যাতে আমরা আরো ভাল কাজ এই জেলায়, এদেশে সকল মানুষের জন্য করতে পারি। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য  যেন বেশি কাজ করতে পারি। 

বুধবার সকাল ৮টায় সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদের জামাতে তিনি এসব কথা বলেন। 

পরিকল্পমন্ত্রী বলেন,  আজকের দিনে স্মরণ করবো আমরা আমাদের সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যারা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন ত্যাগের বিনিময়ে। আমরা স্মরণ করব আমদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও তার সঙ্গে হাজারো নেতৃবৃন্দ যারা ত্যাগ স্বীকার করে গেছেন। আরো একটি বিশেষ জনগোষ্ঠী যারা আমাদের ভাই-বোন যা এক কোটিরও বেশি সারা বিশ্বে কঠিন পরিশ্রম করে মধ্যপ্রাচ্য, মালয়শিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে কষ্ট করেন, দিনরাত পরিশ্রম করে অর্থ আয় করে সেই অর্থ আমাদের দেশে পাঠান। আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। তাদের কথা আজ আমরা কৃজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি।

এর আগে বিরোধী দলীয় হুইপ ও সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবা, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ ও সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহের সম্পাদক নূরুর রব চৌধুরী শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। 

সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ইমামতি করেন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান।

বুধবার সকাল ৮ টা থেকে ৯টার মধ্যে সুনামগঞ্জ শহরের ১৮ স্থানে মুসল্লিরা ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় করেন। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, আরটিন নগর ঈদগাহ ময়দান। এ ছাড়াও জেলার ১১টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সকাল ৮টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এসসি/আরপি

 

সিলেট: আরও পড়ুন

আরও