দরপতনে পুঁজিবাজারে আবারো রেকর্ড

ঢাকা, রবিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২০ | ৬ মাঘ ১৪২৬

দরপতনে পুঁজিবাজারে আবারো রেকর্ড

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৪:১১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০২০

দরপতনে পুঁজিবাজারে আবারো রেকর্ড

শনির দশা কাটছে না পুঁজিবাজারে। নতুন বছরের দ্বিতীয় সপ্তাহে টানা ৫ কার্যদিবসে দরপতনের পর চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঘুরে দাঁড়িয়ে ছিল সূচক। কিন্তু এক কার্যদিবসের ব্যবধানে আবারো দরপতন দেখলো বিনিয়োগকারীরা।

বিনিয়োগকারীদের অব্যাহত বিক্রয় চাপে সার্বিক মূল্যসূচক থেকে ৮৮.৯৬ পয়েন্ট হারিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের ৭ মে’র অবস্থানে নেমে গেছে বাজার। অর্থাৎ ১ হাজার ১৩৭ কার্যদিবস আগের অবস্থানে ফিরেছে সূচক।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ১৪৮.৩৭ পয়েন্ট। এরই ধারাবাহিকতায় সিএসই’র প্রধান সূচক ৭৬১২ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে।

ডিএসই ও সিএসই’র বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২১টি, দর কমেছে ৩১৩টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ২০টি প্রতিষ্ঠানের। দিনশেষে ডিএসইতে ১১ কোটি ৪১ লাখ ৮৬ হাজার ১৬৪টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এদিন ডিএসইতে টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ২৮৬ কোটি ৭৭ টাকা। এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ২৬০ কোটি ৮২ টাকা। অর্থাৎ সোমবার ব্যাপক দর পতন হলেও ডিএসই’র সার্বিক লেনদেন বেড়েছে ২৬ কোটি টাকা।

দিনশেষে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ৮৮.৯৬ পয়েন্ট। এসময় ডিএসইএক্স সূচক ৪১২৩.৪৮ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালেল ৭ মে ডিএসইএক্স সূচক ৪১২২.৩২ পয়েন্টে ছিল।

অপরদিকে, ডিএসইএস সূচক প্রতিষ্ঠার পর সর্বনিম্ন অবস্থানে স্থিতি পেয়েছে আজ। সোমবার ডিএসইএস সূচক ২০.১৮ পয়েন্ট কমে ৯২৯.৯৬ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। ২০১৪ সালের ২০ জানুয়ারি শুরুর দিন এ সূচকটি ছিল ৯৪১.২৭ পয়েন্টে। এরপর নানা উত্থান পতন হলেও এই অবস্থানে কখনই ফিরেনি সূচক।

এছাড়া ডিএস-৩০ সূচক ২৭.৯২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৮৭ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে।

দিনশেষে ডিএসইতে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ। দিনশেষে কোম্পানিটির ১৯ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টার্নওভার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল এডিএন টেলিকম, কোম্পানিটির ১০ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভার তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে রিং সাইট টেক্সটাইল।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- খুলনা পাওয়ার, বিকন ফার্মা, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপ ইয়ার্ড, নর্দান জুট, স্টান্ডার্ড সিরামিক, গ্রামীণফোন ও এসএস স্টিল।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ২৫২টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৮টির, দর কমেছে ২০৬টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ১৮টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় সিএসইতে ১৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

জেডএস/এইচআর

 

শেয়ারবাজার: আরও পড়ুন

আরও