সায়হাম টেক্সটাইল শেয়ার দরে যে কারণে উল্লম্ফন

ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

সায়হাম টেক্সটাইল শেয়ার দরে যে কারণে উল্লম্ফন

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৬:১৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২০, ২০১৯

সায়হাম টেক্সটাইল শেয়ার দরে যে কারণে উল্লম্ফন

টানা ৩ কার্যদিবসে দর পতনের পর মঙ্গলবার হঠাৎ বস্ত্র খাতের সায়হাম টেক্সটাইলের শেয়ার দরে উল্লম্ফন দেখা দেয়।

দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯.৮২ শতাংশ বা ৪.৪ টাকা বেড়ে বিক্রেতা সংকটে হল্টেড হয়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সোমবার দিনশেষে সায়হাম কটনের সমাপনী বাজার দর ছিল ৪৪.৮০ টাকা। কিন্তু মঙ্গলবার কোম্পানিটির প্রারম্ভিক শেয়ার দর ছিল ৪৯.২০ টাকা।

অর্থাৎ লেনদেনের শুরুতে হল্টেড হয় কোম্পানিটি। যদিও এদিন কোম্পানিটির শেয়ার ৪৬.৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪৯.২০ টাকায় লেনদেন হতে দেখা গেছে।

এদিন কোম্পানিটির ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৫২১টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। যার বাজার দর ২ কোটি ২০ লাখ টাকা।

যে কারণে শেয়ার দরে হঠাৎ উল্লম্ফন

২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর হবিগঞ্জের মাধবপুরে সায়হাম টেক্সটাইল মিলের তুলা ও সুতার গুদামে আগুন লাগে। এতে কোম্পানিটির ১৫ হাজার বেল তুলাসহ যাবতীয় মালপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায় ও ৭৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল বলে দাবি করেন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর বিমা কোম্পানি গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের কাছে জরুরি ভিত্তিতে বিমার টাকা ফেরত চেয়ে আবেদন করে কোম্পানিটি। ক্ষতিগ্রস্ততার ভিত্তিতে কোম্পানিকে মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) টাকা দিতে সম্মতি জানিয়েছে বিমা কোম্পানি।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স বিমার ৫৪ কোটি ৯২ লাখ ৬২ হাজার ১৩০ টাকা সায়হাম টেক্সটাইলকে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স সায়হাম টেক্সটাইলকে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছে। ডিএসইতে এ সংবাদ প্রকাশের পর কোম্পানিটির শেয়ার দরে ব্যাপক উল্লম্ফন দেখা দেয়।

১৯৮৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় সায়হাম টেক্সটাইল মিলস। ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনধারী কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৯০ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ‘এ’ ক্যাটাগরির আওতাভুক্ত কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত অর্থবছরের ১৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের (৩০ জুন ২০১৯) তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই ’১৮-মার্চ ’১৯) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৩৭ টাকা। আগের বছরের একই সময় কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ০.৮৩ টাকা।

এদিকে, তৃতীয় প্রান্তিকের শেষ তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ ’১৯) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৩৭ টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ০.৩৬ টাকা।

৩১ মার্চ ২০১৯ শেষে কোম্পনিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৭.০৯ টাকা ও শেয়ার প্রতি নগদ কার্যকরী অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ০.৪২ টাকা।

জেডএস/এইচআর

 

শেয়ারবাজার: আরও পড়ুন

আরও