পুঁজিবাজারের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে বিনিয়োগকারীদের স্মারকলিপি

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০১৯ | 2 0 1

পুঁজিবাজারের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে বিনিয়োগকারীদের স্মারকলিপি

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৮:০৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৮, ২০১৯

পুঁজিবাজারের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে বিনিয়োগকারীদের স্মারকলিপি

অব্যাহত দর পতন থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। তাই পুঁজিবাজারের পতন রোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এতে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম. খায়রুল হোসেনের পদত্যাগসহ ১৫ দাবি উত্থান করেছেন বিনিয়োগকারী নেতারা।

বৃহস্পতিবার বিনিয়োগকারী পক্ষে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান। বিকেল সাড়ে ৬টায় তারা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ৪ নং গেইটের দায়িত্বরত রুহুল আমিনের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

এর আগে দুপুর ২ টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে বিনিয়োগকারীরা।

বিনিয়োগকারীদের ১৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ইস্যু মূল্যের নিচে অবস্থান করা শেয়ারগুলো নিজ নিজ কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে ইস্যু মূল্যে শেয়ার বাইব্যাক করতে হবে। বাইব্যাক আইন পাশ করতে হবে; ২ সিসি আইনের বাস্তবায়ন করতে যে সকল কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ব্যক্তিগত ২ শতাংশ, সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার নেই, ঐ সকল উদ্যোক্তা পরিচালক ও কোম্পানিগুলোকে শেয়ার ধারণ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে; প্লেসমেন্ট শেয়ারের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে এবং প্লেসমেন্ট শেয়ারের লকইন পিরিয়ড ৫ বছর করতে হবে।

পুঁজিবাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার আইপিও, রাইট শেয়ার অনুমোদন দেওয়া বন্ধ করতে হবে; খন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী শেয়ারবাজার কারসাজির সাথে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে; জেড ক্যাটাগরি এবং ওটিসি মার্কেট বলতে কোন মার্কেট থাকতে পারবে না।

কোম্পানি আইনে কোথাও জেড ক্যাটাগরির ও ওটিসি মার্কেটের উল্লেখ নেই; পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ বাতিল করতে হবে; পুঁজিবাজারের প্রাণ মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোকে পুঁজিবাজারে সক্রিয় হতে বাধ্য করুন এবং প্রত্যেক ফান্ডের নূন্যতম ৮০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হবে; সাধারণ বিনিয়োগকারী আইপিও কোটা ৮০ শতাংশ করতে হবে এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ প্রদান করতে হবে; জানুয়ারি ২০১১ থেকে জুন ২০১৯ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মার্জিন লোনের সুদ সম্পূর্ণ মওকুফ করতে হবে; পুঁজিবাজারে অর্থের যোগান বৃদ্ধির জন্য সহজশর্তে অর্থাৎ ৩ শতাংশ সুদে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে।

যা আইসিবি, বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে ৫ শতাংশ হারে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা লোন হিসাবে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে; অপ্রদর্শিত অর্থ বিনা শর্তে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দিতে হবে; জীবন বীমা খাতের বিপুল অলস ও সঞ্চিত অর্থের ৪০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে বাধ্য করুন; জীবন বাচাঁতে এবং ন্যায্য দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে সকল প্রকার মামলা প্রত্যাহার ও পুলিশি হয়রানি বন্ধ করতে হবে; ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিপরীতে বাংলাদেশ স্টক এক্সচেঞ্জ নামে বিকল্প স্টক এক্সচেঞ্জ করতে হবে, এর ফলে কারসাজি বন্ধ করা যাবে।

জেডএস/

 

শেয়ারবাজার: আরও পড়ুন

আরও