২২৫ শতাংশ বেড়ে চলছে সী পার্ল বিচ রিসোর্টের লেনদেন

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০১৯ | 2 0 1

২২৫ শতাংশ বেড়ে চলছে সী পার্ল বিচ রিসোর্টের লেনদেন

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১২:১৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০১৯

২২৫ শতাংশ বেড়ে চলছে সী পার্ল বিচ রিসোর্টের লেনদেন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া শেষ করে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু করেছে সী পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড।  দুপুর ১১ টায় কোম্পানিটির শেয়ার ২২৫ শতাংশ বেড়ে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হতে দেখা গেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত ডিএসইতে কোম্পানিটির ট্রেনিং কোড: "SEAPEARL" এবং কোম্পানি কোড হচ্ছে: ২৯০০৪।  আইপিও লটারিতে বরাদ্দ পাওয়ার পর কোম্পানিটির শেয়ার ২৬ জুন শেয়ারহোল্ডারদের বিও হিসাবে প্রেরণ করা হয়েছে। গত ২৩ মে লটারির মাধ্যমে কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হয়।

স্টক এক্সচেঞ্জে কোম্পানিটির লেনদেন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফেসভ্যালুতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির শেয়ারের ওপেনিং প্রাইজ বা প্রারম্ভিক দর ছিল ২৫.২ টাকা। অর্থাৎ ফেসভ্যালু থেকে ১৫২ শতাংশ দর বেড়ে লেনদেন শুরু হয় কোম্পানিটির। কিন্তু দুপুর ১১ টাকায় কোম্পানিটির সর্বশেষ শেয়ার দর ছিল ৩২.৫ টাকা। অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ার ফেসভ্যালু থেকে ২২৫ শতাংশ বা ২২.৫ টাকা বেড়েছে। এদিন কোম্পানিটির শেয়ার ২৫.১০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩৩ টাকায় লেনদেন হয়েছে।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ২১৬ শতাংশ দর বেড়েছে কোম্পানিটির। দুপুর ১১টায় কোম্পানিটির শেয়ার ৩১.৬০ টাকায় লেনদেন হতে দেখা গেছে। কিন্তু সিএসইতে কোম্পানিটির ওপেনিং প্রাইজ বা প্রারম্ভিক দর ছিল ৩০ টাকা।

সূত্র জানায়, কোম্পানিটিকে প্রতিটি ১০ টাকা ইস্যু মূল্যে ১.৫ কোটি শেয়ার প্রাথিমক গণ প্রস্তাবের মাধ্যমে ইস্যু করার অনুমোদন দিয়ে ছিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানিটি ১৫ কোটি টাকার পুঁজি উত্তোলন করে। এই অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি রিসোর্টের বিভিন্ন কক্ষের ইনটোরিয়র, ফিনিশিং ও আসবাবপত্র ক্রয়, জমি ক্রয় এবং আইপিও বাবদ খরচ করবে।

এর মধ্যে বিভিন্ন কক্ষের ইনটেরিয়র, ফিনিশিং ও আসবাবপত্র ক্রয় বাবদ খরচ হবে ১০ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা, জমি ক্রয় বাবদ খরচ হবে ২ কোটি ৬৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং আইপিও বাবদ খরচ হবে ১ কোটি ৬৫ লাখ ১২ হাজার টাকা।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ’১৯) কোম্পানিটির আইপিও পরবর্তী শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.২৪ টাকা। এছাড়া আইপিও পূর্ববর্তী ইপিএস ০.২৮ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৩৮ টাকা্। সে হিসেবে কোম্পানির ইপিএস কমেছে ০.১০ টাকা বা ২৬.৩২ শতাংশ।

এই সময়ে কোম্পানির কর পরবর্তী মোট মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ৭৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ২ কোটি ৩৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

এদিকে, নয় মাসে (জুলাই’১৭-মার্চ’১৮) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৬১ টাকা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ০.৬৭ টাকা্। আর আইপিও পরবর্তী শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ০.৫৩ টাকা।

এই সময়ে কোম্পানির কর পরবর্তী মোট মুনাফা হয়েছে ৬ কোটি ১০ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল ৩ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া আলোচিত সময় কোম্পানির আইপিও পূববর্তী শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১.০৯ টাকা। আইপিও পরবর্তী পরে যা দাঁড়িয়েছে ১০.৯৫ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে বানকো ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

জেডএস/এএসটি

 

শেয়ারবাজার: আরও পড়ুন

আরও