একমির নতুন ইউনিটের উৎপাদন শুরু

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

একমির নতুন ইউনিটের উৎপাদন শুরু

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১:২০ অপরাহ্ণ, জুলাই ০২, ২০১৯

একমির নতুন ইউনিটের উৎপাদন শুরু

পুঁজিবাজারের ওষুধ ও রসায়ন খাতের তালিকাভুক্ত দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড স্টোরয়েড ও হরমোন ইউনিটের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর ঘোষণা দিয়েছে।

ধামরাইয়ের দুলিভিটায় স্থাপিত ইউনিটটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে উত্তোলিত অর্থে বাস্তবায়নাধীন তিনটি প্রকল্পের মধ্যে দ্বিতীয়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, সফলভাবে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শেষেই ইউনিটটিতে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়েছে।

আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে একমি ল্যাবরেটরিজ যে ৩টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, সেগুলো হলো- স্টোরয়েড ও হরমোন ইউনিট, পেনিসিলিন ইউনিট ও অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই)।

জানা যায়, প্রথমে আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ একমি ল্যাবরেটরিজের স্টোরয়েড ও হরমোন ইউনিট, অনকোলজি ইউনিট এবং আয়ুর্বেদিক, মডার্ন হারবাল ও নিউট্রাসিউটিক্যাল ইউনিট স্থাপনে ব্যয় করার কথা ছিল। কিন্তু, পরবর্তীতে আইপিওর অর্থ ব্যয় পরিকল্পনা পরিবর্তন করে কোম্পানিটি অনকোলজির বদলে পেনিসিলিন এবং আয়ুর্বেদিক, মডার্ন হারবাল ও নিউট্রাসিউটিক্যাল ইউনিটের বদলে এপিআই প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়।

পাশাপাশি ১৩৬ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেডিসিনস অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রডাক্টস রেগুলেটরি এজেন্সির (এমএইচআরএ) কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে একমি ল্যাবরেটরিজ।

এজেন্সির কর্মকর্তারা ধামরাইয়ের দুলিভিটায় একমির কারখানা পরিদর্শন শেষে কোম্পানিটিকে জিএমপি সার্টিফিকেট প্রদান করেছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্যসহ সমগ্র ইউরোপের বাজারে একমির ওষুধ রফতানির দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।

কোম্পানিটি বাজারে ৫ কোটি সাধারণ শেয়ার ছেড়ে মোট ৪০৯ কোটি টাকা উত্তোলন করে। কোম্পানির ৫ কোটি শেয়ারে মধ্যে ৫০ শতাংশ বা আড়াই কোটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য, ১০ শতাংশ বা ৫০ লাখ শেয়ার মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য, (যার প্রতিটি শেয়ার ৭৫ টাকা ২০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ কাট-অফ ৮৫ টাকা ২০ পয়সা) এবং বাকি ৪০ শতাংশ বা ২ কোটি শেয়ার সাধারণ বিনিযোগকারী, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী ও এনআরবিদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। এই শেয়ারের কাট-অফ মূল্য ১০ শতাংশ কমে বা ৭৭ টাকায় ইস্যুর জন্য অনুমোদন দেয়া হয়।

জেডএস/আইএম

 

শেয়ারবাজার: আরও পড়ুন

আরও