গ্রামীণফোনের ২৮০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন বিনিয়োগকারীদের

ঢাকা, ১৮ জুলাই, ২০১৯ | 2 0 1

গ্রামীণফোনের ২৮০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন বিনিয়োগকারীদের

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৮:১৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৩, ২০১৯

গ্রামীণফোনের ২৮০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন বিনিয়োগকারীদের

পুঁজিবাজারের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের তালিকাভুক্ত গ্রামীণফোন লিমিটেডের ২৮০ শতাংশ ডিভিডেন্ড অনুমোদন দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগকারীরা। এর আগে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়।

মঙ্গলবার রাজধানীর বসুন্ধরার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির ২২তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ অনুমোদন দেয় বিনিয়োগকারীরা।

এজিএমে ২০১৮ সালের জন্য ১৫৫ শতাংশ চূড়ান্ত ডিভিডেন্ড (ক্যাশ) এবং ১২৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন ডিভিডেন্ডের (ক্যাশ) অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ফলে সর্বমোট ডিভিডেন্ড দাঁড়িয়েছে পরিশোধিত মূলধনের (শেয়ারপ্রতি মূল্য ২৮ টাকা) ২৮০ শতাংশ। বরাবরের মতো প্রতিষ্ঠানটি ফাস্ট-ট্র্যাক অনলাইন পদ্ধতিতে ডিভিডেন্ড বণ্টন করবে।

প্রতিষ্ঠানটির কোম্পানি সেক্রেটারি এস এম ইমদাদুল হকের পরিচালনায় গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান পিটার বি ফারবার্গ এবং গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ফোলিসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বার্ষিক সাধারণ সভায় গ্রামীণফোনের প্রতি আস্থা রাখায় সব শেয়ারহোল্ডারকে ধন্যবাদের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং এর ফলে ব্যবসায় কেমন প্রভাব পড়তে পারে সেসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান।

অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা ও আর্থিক কর্মক্ষমতার পাশাপাশি ফোরজি সফলতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী।

এজিএমে পিটার বি ফারবার্গ বলেন, প্রতিযোগিতা-সংক্রান্ত যেকোনো নীতিমালা বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা আইন এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত পদ্ধতি অনুযায়ী হওয়া উচিত বলে মনে করে গ্রামীণফোন। এতে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট খাতের সার্বিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি গতিশীল হবে। এসএমপি নীতিমালা এমন হওয়া উচিত নয়, যার কারণে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের সুযোগ কমে যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে অডিটের মাধ্যমে গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা সরকারের পাওনা বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের দাবি আইনগতভাবে ভিত্তিহীন হিসেবে গণ্য করছে গ্রামীণফোন। সম্মানিত অংশীদারদের স্বার্থরক্ষায় যেকোনো ধরনের অগ্রহণযোগ্য দাবির বিরুদ্ধে গ্রামীণফোন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। উল্লেখিত দাবি প্রত্যাহার করে এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনায় বসতে বিটিআরসির প্রতি আবেদন জানিয়েছি আমরা।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অন্তর্ভুক্তির পর এটি গ্রামীণফোনের ১০ম এজিএম।

জেডএস/এইচআর

 

শেয়ারবাজার: আরও পড়ুন

আরও