বুসন্ধরা পেপারের ৬৩ শতাংশ দর বৃদ্ধি

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮ | ৪ শ্রাবণ ১৪২৫

বুসন্ধরা পেপারের ৬৩ শতাংশ দর বৃদ্ধি

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৭:০৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ০২, ২০১৮

print
বুসন্ধরা পেপারের ৬৩ শতাংশ দর বৃদ্ধি

লেনদেন শুরুর প্রথম কার্যদিবসে ১০৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে সদ্য তালিকাভুক্ত হওয়া বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেডের। এসময় দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কোম্পানিটির ৬৩ শতাংশ দর বেড়েছে। অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ১১.৭২ শতাংশ। ডিএসই ‍ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, সোমবার কোম্পানিটির ওপেনিং শেয়ার দর ৮০ টাকা হলেও প্রথমেই ১৫৫ টাকায় লেনদেন শুরু হয়। দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ার সর্বনিম্ন ১২৯.৪০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৫৫ টাকায় লেনদেন হয়। তবে দিনশেষে কোম্পানিটির সমাপনী বাজার দর ছিল ১৩০.৮০ টাকা। অর্থাৎ প্রথম দিনে কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৫০.৮০ টাকা বা ৬৩.৫০ টাকা। দিনশেষে ডিএসইতে ৮৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সর্বোচ্চ দর ছিল ১৫০ টাকা ও সর্বনিম্ন দর ছিল ১২৬.১০ টাকা। দিনশেষে কোম্পানিটির সমাপনী বাজার দর ছিল ১২৭.২০। দিনশেষে সিএসইতে ২০ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

জানা যায়, জানুয়ারি’১৮ থেকে মার্চ’১৮ পর্যন্ত তিন মাসে কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর প্রকৃত মুনাফা হয়েছে ১৪ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আইপিও শেয়ার হিসাব করে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.৮৩ টাকা। আইপিও শেয়ার হিসাব না করে ইপিএস হয়েছে ০.৯৮ টাকা।

সূত্র জানায়, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি’র ৬২৬তম কমিশন সভায় কোম্পানিটিকে আইপিও’র মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়া হয়।

কোম্পানি প্রসপেক্টাস সূত্রে জানা গেছে, বসুন্ধরা পেপার মিলস্ লিমিটেডের ২০০ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলনের জন্য বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ২ কোটি ৬০ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৭টি সাধারণ শেয়ার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে কমিশন।

কোম্পানিটি ২ কোটি ৬০ লাখ ৪১ হাজার ৬৬৭টি সাধারণ শেয়ারের ১ কোটি ৫৬ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার ৮০ টাকা দরে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করবে।

বাদবাকি ১ কোটি ৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৬টি শেয়ার কোম্পানিটি ৭২ টাকা মূল্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের (অনিবাসী বাংলাদেশিসহ) কাছে বিক্রি করবে।

সূত্র জানায়, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থে কোম্পানিটি ঋণপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নেট অ্যাসেট ভ্যালু (রিভ্যালুয়েশনসহ) ৩০.৪৯ টাকা ও শেয়ার প্রতি নেট অ্যাসেট ভ্যালু (রিভ্যালুয়েশন ছাড়া) ১৫.৭৯ টাকা এবং গড় হারে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১.৪৬ টাকা (ওয়েটেড অ্যাভারেজ)।

এদিকে, জুলাই’১৭ থেকে মার্চ’১৮ পর্যন্ত নয় মাসে কোম্পানিটির কর পরিশোধের পর প্রকৃত মুনাফা হয়েছে ৩২ কোটি ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আইপিও শেয়ার হিসাব করে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৮৫ টাকা। আইপিও শেয়ার হিসাব না করে ইপিএস হয়েছে ২.১৮ টাকা। এছাড়া শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩৪.০৭ টাকা।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএএ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

জেডএস/এএল/

 
.



আলোচিত সংবাদ