বিয়ে করতে চাওয়াই আমার অপরাধ : ইমরান খান

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৫

বিয়ে করতে চাওয়াই আমার অপরাধ : ইমরান খান

পরিবর্তন ডেস্ক ৫:৪০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০৯, ২০১৮

print
বিয়ে করতে চাওয়াই আমার অপরাধ : ইমরান খান

অবশেষে তার তৃতীয় বিয়ের গুজবের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করলেন ইমরান খান। রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর চেয়ারম্যান ও সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খান সোমবার এই বিষয়ে পর পর কয়েকটি টুইট করেন। টুইটে তিনি লেখেন, 'আমি গত তিনদিন ধরে ভাবছি, আমি ব্যাংক ডাকাতি করেছি কিনা; নাকি মানি লন্ডারিং করে দেশের সম্পদ পাচার করেছি; অথবা মডেল টাউন বানানোর নামে মানুষের ক্ষতি করেছি; নাকি ভারতের কাছে রাষ্ট্রের গোপন তথ্য দিয়েছি? এসব কিছুই আমি করিনি, কিন্তু ভেবে দেখলাম আমি তার চেয়ে বড় অপরাধ করেছিঃ আমি বিয়ে করতে চেয়েছি।'

টুইটে ইমরান তার বিরুদ্ধে 'নোংরা' অপপ্রচার চালানোর জন্য পাকিস্তানের অন্যতম রাজনৈতিক দল পিএমএল-এর প্রধান নওয়াজ শরিফকে দোষারোপ করেন।

টুইটে ইমরান লেখেন, ওই বিদ্বেষপ্রসূত, নোংরা অপপ্রচারের পেছনে এনএস [নওয়াজ শরিফ] ও এমএসআর [মির শাকিলুর রহমান]-এর হাত রয়েছে।

ইমরান খান টুইটে আরও বলেন, এই অপপ্রচারে তার কিচ্ছু আসে যায় না।

তবে, তার সন্তান ও বুশরা বেগমের অত্যন্ত রক্ষণশীল পরিবার নিয়ে তিনি চিন্তিত বলে জানান ইমরান। নওয়াজ শরিফ ও শাকিলুর রহমান বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে তাদের বিরুদ্ধেও অপপ্রচার চালিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরেকটি টুইটে ইমরান বলেন, 'এনএস ও এমএসআর নিশ্চিত থাকতে পারে, তাদের অপপ্রচার আমার লড়াইয়ের প্রতিজ্ঞাকে আরও জোরদার করেছে।'

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে ইমরান আরও বলেন, 'শরিফ পরিবারকে আমি ৪০ বছর ধরে চিনি ও তাদের সব সদস্যের পঙ্কিল ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে জানি। কিন্তু আমি কখনোই এসব নোংরা বিষয় করার মত নিচে নামব না।'

সোমবার ইসলামাবাদে একটি আদালতের বাইরে নওয়াজ শরিফ সাংবাদিকদের বলেন, বিয়ের গুজব ছড়ানোর পর থেকেই লুকিয়ে আছেন ইমরান খান। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই টুইটগুলো করেন বিশ্বকাপজয়ী এই ক্রিকেটার।

শনিবার পাকিস্তানের কয়েকটি পত্রিকায় বুশরা মানেকা নামের একজন আধ্যাত্মিক ক্ষমতাসম্পন্ন মহিলার সাথে ইমরান খানের তৃতীয় বিয়ের খবর প্রথম প্রকাশিত হয়। এরপর রোববার পিটিআই-এর পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয় ইমরান ওই মহিলাকে শুধু বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। বুশরা মানেকা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তার সন্তান ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে আলোচনার জন্য সময় চেয়েছেন।

এমআর/এএসটি

 
.



আলোচিত সংবাদ