হায়দারাবাদে চিকিৎসক ধর্ষণ হত্যায় ৪ জনই পুলিশের গুলিতে নিহত

ঢাকা, বুধবার, ২২ জানুয়ারি ২০২০ | ৯ মাঘ ১৪২৬

হায়দারাবাদে চিকিৎসক ধর্ষণ হত্যায় ৪ জনই পুলিশের গুলিতে নিহত

পরিবর্তন ডেস্ক ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯

হায়দারাবাদে চিকিৎসক ধর্ষণ হত্যায় ৪ জনই পুলিশের গুলিতে নিহত

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ তেলেঙ্গানার রাজধানী হায়দারাবাদে গণধর্ষণের পর তরুণী পশু চিকিৎসক পুড়িয়ে হত্যায় ঘটনায় অভিযুক্ত চারজন পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার ভোররাতে সামসাবাদে ৪৪ নম্বর জাতীয় স়ড়কের কাছে আন্ডার পাসে এঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন হায়দারাবাদের পুলিশ কমিশনার।

পুলিশ জানায়, নিহতরা হলেন— অভিযুক্ত মোহাম্মদ আরিফ, নবীন, শিবা ও চেন্নাকেসাভুলু।

দেশটির এই সময় পত্রিকার খবরে বলা হয়, পুলিশের দাবি, ভোর রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার জন্য অভিযুক্তদের অপরাধস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তখনই পুলিশের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করে চার অভিযুক্ত। তখনই পুলিশের গুলিতে নিহত হন অভিযুক্তরা।

২০ থেকে ২৪ বছর বয়সি চার লরিচালককে পশু চিকিত্‍‌সককে ধর্ষণ করে জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগে ২৯ নভেম্বর গ্রেফতার করে পুলিশ। গত শনিবার তাদের ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় আদালতে পাঠানো হয়। দ্রুত তাদের শাস্তির দাবিতে দেশজুড়ে দাবি উঠেছিল। এই মামলার শুনানির জন্য বুধবার ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন করে তেলেঙ্গানা সরকার।

বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে তরুণীর দেহ দেখতে পান দুধের ভেন্ডর এস সত্যম। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া দেহের স্কার্ফ ও গলায় গণেশের লকেট দেখে দেহ শনাক্ত করেন আত্মীয়-স্বজনেরা।

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ত্বকের ডাক্তারকে দেখাতে গিয়েছিলেন ওই যুবতী। শামশাবাদের একটি টোল প্লাজায় নিজের বাইকটি রেখে একটি ক্যাবে চড়ে সেই হাসপাতালে যান তিনি।

জানা গিয়েছে, কিছুক্ষণ পর ফিরে টোল প্লাজা থেকে বাইক নেওয়ার সময় তাকে দুজন বলেন বাইকের চাকাটি পাংচার হয়ে গিয়েছে। সারানোর জন্য কাছেরই একটি দোকানে নিয়ে যেতে হবে। সেই সময় কয়েক মিটার হেঁটে একটি নির্জন জায়গায় দাঁড়িয়ে মেয়েটি অপেক্ষা করতে থাকেন। সেখানে বেশ কয়েকটি ট্রাক পার্ক করা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিহতের বোন জানান, ‘৯.২২-এ বোন ফোন করেছিল। ও বলে দুজন টায়ার সারিয়ে দেবে বললেও না-সারিয়েই ফিরে এল। কাছেই কয়েকটি লরি নিয়ে বেশ কয়েকজন দাঁড়িয়েছিল বলেও জানায়। ও বলে খুব ভয় পাচ্ছে। আমি ওকে বাইক রেখে দিয়েই চলে আসতে বলি।’

এরপর নিহতের বোন ৯.৪৪-এ ফের ফোন করার চেষ্টা করলে ফোন স্যুইচড অফ শোনা যায়। রাতে বোন বাড়ি না ফেরায় মিসিং ডায়েরি করা হয়।

কখন কীভাবে মেয়েটিকে খুন করা হল, তা নিয়ে পুলিশ এখনও সন্দিহান।

পুলিশের অনুমান, ওই পশু চিকিত্‍‌সককে ধর্ষণ করে খুন করে তার দেহ একটি ব্যাগে ভরে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এসবি

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও