ওয়াকফ বোর্ড জমি নেবে কি না- সিদ্ধান্ত ২৬ নভেম্বর

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ওয়াকফ বোর্ড জমি নেবে কি না- সিদ্ধান্ত ২৬ নভেম্বর

পরিবর্তন ডেস্ক ১:০৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১১, ২০১৯

ওয়াকফ বোর্ড জমি নেবে কি না- সিদ্ধান্ত ২৬ নভেম্বর

অযোধ্যা মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী মসজিদ করার জন্য পাঁচ একর জমি গ্রহণ করা হবে কি না সে বিষয়ে আগামী ২৬ নভেম্বর বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবে সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির উত্তরপ্রদেশ সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের পক্ষ থেকে রোববার এ তথ্য জানানো হয়।

গত শনিবার অযোধ্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায় দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ওই রায়ে বিতর্কিত ২.৭৭ একর জমি রামমন্দির নির্মাণের জন্য দেওয়া হয়। আর মসজিদ নির্মাণের জন্যে শহরের অন্যত্র 'সুবিধাজনক' জায়গায় ৫ একর জমি দেওয়ার কথা বলা হয়।

উত্তরপ্রদেশ সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের সভাপতি জাফর ফারুকী জানান, জমি নেওয়া হবে কি না সে সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত পাচ্ছেন তিনি।

তিনি বলেন, 'আগামী ২৬ নভেম্বর বোর্ডের সাধারণ সভার বৈঠকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে পাঁচ একর জমি নেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।'

তিনি আরো বলেন, 'যদিও ১৩ নভেম্বর ওই বৈঠকটি হওয়ার কথা ছিল, পরে সেটা স্থগিত হয়ে যায়। মনে করা হচ্ছে, ২৬ নভেম্বর যে বৈঠক হবে সেখানে এই জমি গ্রহণ করা হবে কি না তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জমি নেওয়ার বিষয়ে আমি বিভিন্ন মতামত পাচ্ছি। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয় একমাত্র ইতিবাচক মানসিকতার সাহায্যেই সমস্ত নেতিবাচক বিষয়কে দূরে সরানো সম্ভব হয়।'

ফারুকী বলেন, 'কিছু ব্যক্তি যদিও এমন পরামর্শ দিচ্ছেন যে বাবরি মসজিদের জন্য বরাদ্দ ওই ৫ একর জমি নেওয়া উচিত নয়, তবে আমি মনে করি, এই ধরনের ভাবনা আসলে নেতিবাচকতাই বাড়াবে।'

অযোধ্যা ইস্যু সমাধানের জন্য মধ্যস্থতার পক্ষে ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'তবে মধ্যস্থতা সফল না হলেও আমার মতামত পরিষ্কারভাবে দিয়েছি।'

জাফর ফারুকী আরও বলেন, 'আমরাই সিদ্ধান্ত নেব ওই জমি আমরা নেব, কি নেব না। পাশাপাশি বোর্ড ওই দিনের বৈঠকে এই বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করবে যে, শেষ পর্যন্ত জমি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা কীভাবে নেওয়া হবে এবং এর অবস্থা কী হবে, এই বিষয়গুলোতেও আমরা সেদিনই সিদ্ধান্ত নেবো।'

তিনি বলেন, 'আমরা এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানাচ্ছি। বোর্ডের তরফ থেকে অন্তত এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। বোর্ড গত মাসেই জাতীয় স্বার্থের কথা মনে রেখে কিছু শর্তের বিনিময়ে ওই বিতর্কিত জমি থেকে নিজেদের দাবি প্রত্যাহারের বিষয়েও প্রস্তাব দিয়েছিল।'

আরপি

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও