ভিক্ষার ৫ একর জমি আমাদের প্রয়োজন নেই : ওয়াইসি

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

ভিক্ষার ৫ একর জমি আমাদের প্রয়োজন নেই : ওয়াইসি

পরিবর্তন ডেস্ক ৭:২৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৯, ২০১৯

ভিক্ষার ৫ একর জমি আমাদের প্রয়োজন নেই : ওয়াইসি

আসাদুদ্দিন ওয়াইসি। তিনি সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের প্রেসিডেন্ট ও হায়দ্রাবাদ থেকে ৩ বার আইনসভার নিম্নকক্ষ লোকসভার নির্বাচিত সদস্য। ১৫তম লোকসভায় শ্রেষ্ঠ কৃতিত্বের জন্য ২০১৪ সালে সংসদ রত্ন পুরষ্কার পেয়েছেন।

সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের প্রেসিডেন্ট আসাদুদ্দিন ওয়াইসি বলেছেন, বাবরি মসজিদ নির্মাণে ৫ একর জমি ভিক্ষা দেয়ার প্রয়োজন নেই। আজ শনিবার সকালে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের বাবরি মসজিদ রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, আমি সংবিধানকে সম্মান করি। সুপ্রিম কোর্ট সর্বোচ্চ, কিন্তু এ রায়টি ত্রুটিমুক্ত নয়। বাবরি মসজিদের জায়গায় মন্দির নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট।

মুসলমানদের এ জমি গ্রহণ না করার আহ্বান জানিয়ে ভারতের জনপ্রিয় এই এমপি বলেন, আমরা আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করে যাচ্ছি, মসজিদের জন্য আমাদের ৫ একর জমি ভিক্ষা নেওয়ার দরকার নেই, ভারতের মুসলমানরা মসজিদ নির্মাণের জন্য ৫ একর জমি কেনার ক্ষমতা রাখে।

উল্লেখ্য যে, ভারতের অযোধ্যার বাবরি মসজিদের জমির ব্যাপারে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হলো। আজ শনিবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করে।

ঐতিহাসিক এ রায় কট্টর হিন্দুত্ববাদীদের পক্ষেই গেছে। ফলে বিতর্কিত ওই জমিতে রামমন্দির এবং বাবরি মসজিদের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দের কথা রায়ে বলা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, ৩-৪ মাসের মধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে বিশেষ স্কিম তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যাতে বিতর্কিত জমি মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং অন্য পাঁচ একর জমি সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে দেওয়া হয়। যেখানে তৈরি হতে পারে মসজিদ।

এর আগে রায় ঘোষণার শুরুতেই রঞ্জন গগৈ বলেন, ফাঁকা জায়গায় তৈরি হয়নি বাবরি মসজিদ। সেখানে একটি কাঠামো ছিল, যা ইসলামিক ছিল না। সেইসঙ্গে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের আরজি খারিজ করে দেওয়া হয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, প্রধান বিচারপতি ছাড়াও বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি এসএ বোবদে, ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, অশোক ভূষণ এবং এস আব্দুল নাজির।

এমএফ/

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও