দিল্লির দূষণ নিয়ে পাকিস্তানকে দুষলেন বিজেপি নেতা

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

দিল্লির দূষণ নিয়ে পাকিস্তানকে দুষলেন বিজেপি নেতা

পরিবর্তন ডেস্ক ৪:০৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ০৬, ২০১৯

দিল্লির দূষণ নিয়ে পাকিস্তানকে দুষলেন বিজেপি নেতা

দিল্লির পরিস্থিতির জন্য পাকিস্তানকে দোষারোপ। ছবি: এপি

দূষিত বাতাসে ঢেকে গিয়েছে রাজধানী। পড়শি দেশ পাকিস্তান এবং চিনের উপর এ বার তার দায় চাপালেন উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা বিনীত আগরওয়াল সারদা। তার দাবি, গোপনীয় রাসায়নিক হামলা চালিয়ে নয়াদিল্লিতে নজিরবিহীন দূষণ ছড়িয়েছে পাকিস্তান।

তার এই তত্ত্ব গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করা উচিত বলেও মনে করেন তিনি।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, পশ্চিমী ঝড় হাওয়ার কল্যাণে গতকাল থেকে একটু একটু করে দূষণের চাদর সরতে শুরু করেছে দিল্লি থেকে। তবে এখনও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। রাজধানীর দূষণ নিয়ে রাজনীতিকরাও পরস্পরকে দোষারোপ করে যাচ্ছেন।

এর মধ্যেই মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বিনীত আগরওয়াল সারদা বলেন, “যে বিষাক্ত হাওয়া বইছে, যে বিষাক্ত গ্যাসে ঢেকে গেছে চারিদিক, হতে পারে তা কোনো প্রতিবেশি দেশ ছড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের যারা ভয় পায়, তারাই এই কাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। আমার তো মনে হয় চীন এবং পাকিস্তানই আমাদের ভয় পায়।” পাকিস্তান ভারতে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়েছে কি না, তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা উচিত বলেও মত তার।

বিনীত দাবী করেন, দ্বিতীয়বার নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ জুটির নেতৃত্বে কেন্দ্রে বিজেপি জোট সরকার গড়ায় পাকিস্তান আরও ঘাবড়ে গেছে, তাই এই ধরনের আচরণ করছে।

প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মহাভারতের কৃষ্ণ এবং অর্জুনের সঙ্গেও তুলনা করেন তিনি। তার কথায়, “আজ পর্যন্ত যতবার যুদ্ধ হয়েছে, ভারতের সামনে মুখ থুবড়ে পড়েছে পাকিস্তান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহ আসার পর আরও হতাশ হয়ে পড়েছে ওই দেশ। কৃষ্ণ এবং অর্জুন মিলে সব সামলাচ্ছেন।”

রাজধানীর দমবন্ধ করা পরিস্থিতির জন্য শুরু থেকেই পড়শি দুই রাজ্য হরিয়ানা এবং পঞ্জাবকে দায়ী করে আসছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। সেখানে ফসলের গোড়া পোড়ানোতেই গোটা দিল্লি ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে বলে অভিযোগ তার। কিন্তু তা মানতে রাজি নন কট্টর হিন্দুত্ববাদি বিনীত। কৃষকরা দেশের মেরুদণ্ড, তাদের এভাবে দোষারোপ করা উচিত নয় বলে মত ব্যক্ত করেন তিনি।

এমএফ/

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও