পাক কাশ্মীর ভারতেরই: জয়শঙ্কর

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

পাক কাশ্মীর ভারতেরই: জয়শঙ্কর

পরিবর্তন ডেস্ক ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯

পাক কাশ্মীর ভারতেরই: জয়শঙ্কর

নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বৈরথ অনিবার্য। পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ধারাবাহিকভাবে যুদ্ধের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে গতকাল পাল্টা তোপ দাগল ভারত।

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সাংবাদিক বৈঠকে এক প্রশ্নের উত্তরে বললেন, ‘‘পাক-অধিকৃত কাশ্মীর সর্বদাই ভারতের অংশ। আমরা আশা করি যে, এক দিন তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে আসবে।’’

আনন্দবাজার বলছে, পাক-অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে ভারতের এই অবস্থান নতুন নয়। এমনও নয় যে নরেন্দ্র মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ নিয়ে বাড়তি কোনও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর দিল্লি পাক-অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে একাধিক বার কড়া বার্তা দিয়েছে। এ দিন জয়শঙ্করের বার্তা পরিস্থিতিকে আরও কিছুটা উত্তপ্ত করে তুলল বলেই মনে করা হচ্ছে।  

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের পার্শ্ববৈঠকে সার্কভুক্ত রাষ্ট্রগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি। তিনিই গত দেড় মাস কাশ্মীর নিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারত-বিরোধী প্রচার চালানোর চেষ্টা করে চলেছেন। আসন্ন বৈঠকটিতেও যে পাক-ভারত সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হতে পারে তার আভাস দিয়ে জয়শঙ্কর বলেছেন, ‘‘সার্কের এই অধোগতি কার জন্য ঘটেছে সেটা সংশ্লিষ্ট সব দেশই জানে। সার্কের প্রয়োজন ছিল আঞ্চলিক সহযোগিতা, বাণিজ্য, এবং সংযোগ। সন্ত্রাসবাদ নয়।’’

পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হওয়ার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে না চেয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ‘‘কমনওয়েলথ বৈঠকেও আমরা একটি ঘরেই ছিলাম। এখানেও যখন বৈঠক হবে দেখা যাবে।’’

আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি হয়েছে ভারত এবং পাকিস্তানকে এক টেবিলে বসানোর। নিউ ইয়র্কে কি সেই চাপের জেরে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে পার্শ্ববৈঠকে বসতে দেখা যাবে?

নেতিবাচক ইঙ্গিত করে জয়শঙ্কর বলেছেন, ‘‘দুই দেশের সম্পর্ক এখন কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে সেটা দেখুন!’’ কাশ্মীর নিয়ে কোনও আলোচনাতেই যে ভারত যেতে নারাজ সে কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

জংশঙ্করের কথায়, ‘‘প্রথমে সন্ত্রাস নিয়ে কথা হোক। কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা পরে হবে। এমন আর কোনও দেশ কি আছে যারা প্রতিবেশী রাষ্ট্রে সন্ত্রাসে মদত দেওয়াকেই তাদের বিদেশনীতি করে নিয়েছে? কোনও দেশ কি এটা সহ্য করবে?

আরপি

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও