পাক সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত দুই

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

পাক সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত দুই

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:৪২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯

পাক সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত দুই

আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রন রেখায় ভারতীয় বাহিনীর নির্বিচার গুলিবর্ষণে নিহত পাক বাহিনীর এক জওয়ান ও নারী। খবর ডন নিউজ উর্দুর।

পাক সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ আইএসপিআরের বিবৃতি অনুযায়ী, ভারতীয় বাহিনী যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে হাজী পীর সেক্টরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে নিশানা বানায়। এতে ৩৩ বছর বয়সী হাবিলদার নাসিরুদ্দিন শহীদ হন।

হাজী পীর সেক্টর কাশ্মীরের হাবেলি জেলায় অবস্থিত, যেখানে গত কয়েকদিন থেকে ভারতীয় বাহিনী ব্যাপক গুলি বর্ষণ করে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, নাসির হোসাইন গত তিনদিনে হাজী পীর সেক্টরে শহিদ হওয়া পাক বাহিনীর দ্বিতীয় জওয়ান। এর আগে একই স্থানে গোলাম রসূল নামে আরেক জওয়ান শহিদ হন। 

অন্যদিকে পাকবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগ বলছে, ভারতীয় বাহিনী নিয়ন্ত্রণ রেখার নাকিয়াল ও জ্যান্ডরুট সেক্টরেও গুলিবর্ষণ করে এবং বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে নিশানা বানায়। সেখানে একজন নারী (৪০) শহিদ হন, আহত হন আরও চার নারীসহ ৬ জন। 

গতমাসেও ভারতীয় বাহিনী নিয়ন্ত্রণ রেখায় গুলি করে চার পাকিস্তানি জওয়ানকে শহিদ করে। সেই ঘটনায় পাকিস্তানের জবাবি হামলায় ভারতেরও নিহত হয় পাঁচ সেনা। এছাড়া, আরেক জবাবি হামলায় ভারতের আরেকজন সেনা অফিসার নিহত হন।

ডন নিউজ জানায়, ভারতীয় সেনাবাহিনী লাইন অফ কন্ট্রোল এবং ওয়ার্কিং সীমানায় একের পর এক যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন করে যাচ্ছে এবং বিশেষভাবে অধিকৃত কাশ্মীরে একতরফাভাবে ভারতীয় সিদ্ধান্তের পর লাইন অফ কন্ট্রোলে চুক্তির লঙ্ঘন বৃদ্ধি পেয়েছে।   

অভিযোগ উঠেছে যে, ভারতীয় বাহিনী নিয়ন্ত্রণ রেখায় নতুন অস্ত্র ব্যবহার করছে এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে বেসামরিক বসতি লক্ষ্য করে ক্লাস্টার বোমা নিক্ষেপ করে। গত দুই বছরে ভারত এক হাজার ৯ শত ৭০ বারেরও বেশি যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে।

এর আগে, গত ৫ আগস্ট ভারত তার সংবিধানের ৩৭০ এবং ৩৫ ধারা বাতিল ঘোষণা করে। যার সঙ্গে অধিকৃত কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদাও শেষ হয়ে যায়।

এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে অধিকৃত উপত্যকায় কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে সেখানে লকডাউন এবং কারফিউ জারি করে এবং বাইরে যোগাযোগের সমস্ত পথ বন্ধ করে কাশ্মীরকে কার্যত বহির্বিশ্ব থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সেখানে কারফিউ এখনও বহাল আছে।   

এমএফ/

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও