মোদিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন ইসরোর চেয়ারম্যান

ঢাকা, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৯ | ২৪ কার্তিক ১৪২৬

মোদিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন ইসরোর চেয়ারম্যান

পরিবর্তন ডেস্ক ৫:০২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০৭, ২০১৯

মোদিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন ইসরোর চেয়ারম্যান

ভারতে মহাকাশ যান চন্দ্রযান-২ (বিক্রম) চাঁদের বুকে অবতরণের আগমুহূর্তেই নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

উদ্বিগ্ন ১৩৩ কোটি ভারতবাসী এই খবর জেনেছিল শুক্রবার শেষ রাতেই। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (ইসরো) বিজ্ঞানীদের সঙ্গে প্রায় সারা রাত জেগে গোটা ঘটনা দেখেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

দেশটির আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, শনিবার সকালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে গলা ধরে এল প্রধানমন্ত্রীর। ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবনও শেষমেশ নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না। প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেললেন তিনি।

ইসরো থেকেই শনিবার সকালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। ইসরোকে গোটা কর্মকাণ্ডের জন্যে কুর্নিশ জানান তিনি।

বিজ্ঞানীদের উজ্জীবিত করতে মোদি বলেন, ‘লক্ষ্যে না পৌঁছনো পর্যন্ত আমরা দাঁড়াব না। আমরা আত্মবিশ্বাসী, সফল আমরা হবই। আমাদের কেউ রুখতে পারবেন না।’

শুক্রবার মধ্যরাত ছিল ইসরোর জন্যে অগ্নিপরীক্ষা। সব ঠিক থাকলে রাত ১টা ৫১ মিনিটে চাঁদের মাটিতে পা রেখে ইতিহাস গড়তে পারত ভারত। কিন্তু বিজ্ঞানীদের চূড়ান্ত উৎকণ্ঠার মধ্যে ফেলে চাঁদের মাটি থেকে মাত্র ২.১ কিলোমিটার দূরে অরবিটারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় বিক্রমের। ফলে গ্রাউন্ড স্টেশনও আর কোনও সঙ্কেত পায়নি। এই গোটা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

বিজ্ঞানীদের মুখে বিষণ্ণতা ছায়া ফেললেও, একবারের জন্যেও তাকে বিমর্ষ হতে দেখা যায়নি। বরং দেখা যায় তিনি বিজ্ঞানীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত ভাবে কথা বলছেন। উৎসাহ দিচ্ছেন তাদের।

প্রধানমন্ত্রী মনোভাবে স্পষ্ট, বিক্রমের নিখোঁজ হয়ে যাওয়াটাকে ব্যর্থ মনে করছেন না তিনি। ইসরোর কর্মতৎপরতার প্রশংসা করে তিনি বরং স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন, অরবিটার এখনও তথ্য দিচ্ছেন। বক্তৃতা শেষ করার সময়ে, চেনা আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা গেল তার গলায়, ‘চাঁদে পৌঁছনোর জন্য আমাদের ইচ্ছাশক্তি আরও প্রবল হয়েছে। সংকল্প আরও দৃঢ় হয়েছে।’

এসবি

আরও পড়ুন...
শেষ মুহুর্তে ভারতের স্বপ্নভঙ্গ

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও