অরুণ জেটলির জীবনাবসান

ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

অরুণ জেটলির জীবনাবসান

পরিবর্তন ডেস্ক ৪:১১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৪, ২০১৯

অরুণ জেটলির জীবনাবসান

ভারতের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি আর নেই। শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে গত ৯ আগস্ট দিল্লির এমসে ভর্তি হন তিনি। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় আজ শনিবার দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, দীর্ঘ দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন অরুণ জেটলি। ডায়াবিটিসের রোগী তিনি। অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন গত বছর কিডনি প্রতিস্থাপনও হয় তার। যে কারণে ফেব্রুয়ারি মাসে অন্তর্বর্তী বাজেটের সময় সংসদে উপস্থিত থাকতে পারেননি। শারীরিক অসুস্থতার কারণে মে মাসেও একবার এমসে ভর্তি হন জেটলি। সেই থেকে সক্রিয় রাজনীতিতে সেভাবে আর দেখা যায়নি তাকে।

এ বছর লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় ফিরলেও, মন্ত্রিত্ব নিতে রাজি হননি জেটলি। প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন, বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থ তিনি। চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাই এবার নিজের জন্য একটু সময় চান। নতুন সরকারে তাকে কোনো দায়িত্ব না দিলেই ভাল। তবে সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে গেলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবরই সক্রিয় ছিলেন অরুণ জেটলি। মোদি সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের পক্ষে নিয়মিত পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৬ আগস্ট জীবনাবসান হয় বিজেপির আরেক শীর্ষস্থানীয়  নেত্রী তথা প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের।

অরুণ জেটলির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৯৭৭ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাস করেন অরুণ জেটলি। দীর্ঘদিন সুপ্রিম কোর্টে প্রাকটিসও করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলিতেই অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের(এবিভিপি) নেতা নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থার সময় দীর্ঘ ১৯ মাস জেলবন্দি ছিলেন। সেই সময়ই জয়প্রকাশ নারায়ণের সংস্পর্শে আসেন। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর জন আরএসএসে যোগদান করেন। বিজেপিতে যোগ দেন ১৯৯১ সালে।

আরপি

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও