ভারতের সঙ্গে আর আলোচনার আগ্রহ নেই: ইমরান খান

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

ভারতের সঙ্গে আর আলোচনার আগ্রহ নেই: ইমরান খান

পরিবর্তন ডেস্ক ২:৩০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০১৯

ভারতের সঙ্গে আর আলোচনার আগ্রহ নেই: ইমরান খান

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে আর কোনো আলোচনা করতে চান না বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সেইসঙ্গে পরমাণু শক্তিধর দুটি দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির শঙ্কাও ব্যক্ত করেছেন তিনি।

বুধবার মার্কিন প্রভাবশালী গণমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ৫ আগস্টের আগে ও পরে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। ফলে তাদের (ভারত) সঙ্গে আলোচনার কোনো মানে নেই।

তিনি বলেন, ‘আমি অনেক কথা বলেছি। এখন আমার মনে হচ্ছে, আমি শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছি, আর তারা একে দুর্বলতা বলে মনে করেছে। আমাদের এর বেশি আর কিছু করার নেই।’

গত ৫ আগস্ট কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর থেকে বার বার ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেছেন ইমরান খান।

প্রসঙ্গত, কাশ্মীরের অচলাবস্থা শুরুর পর প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিলেন ইমরান খান।  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলার একদিন পরই এ সাক্ষাৎকার দেন তিনি।

পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৮০ লাখ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে। আমাদের আশঙ্কা, সেখানে জাতিগত নিধন এবং গণহত্যা সংঘটিত হতে পারে। যদিও মোদি সরকার বলছে, কাশ্মীর ইস্যু অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। আর সেনা মোতায়েনের ব্যাপারটি সাময়িক ও জরুরি।

মার্কিন গণমাধ্যমকে ইমরান খান বলেন, কাশ্মীরে ভারত কোনো ভুল অভিযান চালাতে পারে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে, তখন পাকিস্তানও জবাব দিতে বাধ্য হবে।

তিনি বলেন, ‘পরমাণু শক্তিধর দুই দেশ যখন চোখে চোখ রেখে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দেয় তখন যেকোনো কিছুই হতে পারে। বিশ্ব শান্তির জন্য যা ভালো কিছু নয়।’

উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর পাক-ভারতের মধ্যে তিনটি যুদ্ধ হয়েছে। আর এর মধ্যে দুটিই হয়েছে কাশ্মীর ইস্যুতে। উভয় দেশ পুরো কাশ্মীরের দাবি করলেও নিয়ন্ত্রণ করে অংশ বিশেষ।

গত ৫ আগস্ট ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নেয় এবং রাজ্যটিকে ভেঙ্গে কেন্দ্রশাসিত দুটি অঞ্চলে পরিণত করে।

শুরু থেকেই এর প্রতিবাদে সরব রয়েছে পাকিস্তান। কারণ ভারত অধিকৃত কাশ্মীর পাকিস্তানের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইতোমধ্যে বিষয়টি জাতিসংঘে তুলে ধরেছে পাক সরকার। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অন্যান্য ফোরামেও তুলে ধরার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামাবাদ।

আরপি

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও