ভারতে পিটিয়ে মারার ঘটনা ‘সব সাজানো’: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

ভারতে পিটিয়ে মারার ঘটনা ‘সব সাজানো’: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

পরিবর্তন ডেস্ক ৪:০৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২১, ২০১৯

ভারতে পিটিয়ে মারার ঘটনা ‘সব সাজানো’: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

জোর করে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানো যায় না, ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা নিয়ে অতি সম্প্রতি এমন মন্তব্য করেছিলেন ভারতের কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। কিন্তু এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই মত পাল্টে ফেললেন তিনি। বললেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক যে পিটিয়ে মারার ঘটনা সামনে আসছে, তার মধ্যে বেশিরভাগই সাজানো, ভুয়া অভিযোগ।

শুক্রবার বিহারের বানিয়াপুরে গরুচোর সন্দেহে উপজাতি সম্প্রদায়ের দুইজন এবং এক মুসলিম যুবককে পিটিয়ে মারে একদল মানুষ। সেই নিয়ে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দেন সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খান। বিশেষত সংখ্যালঘুদেরই বার বার নিশানা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

আজম খান বলেন, ‘দেশভাগের সময় পাকিস্তান চলে গেলে এভাবে শাস্তি পেতে হতো না মুসলিমদের। আমাদের পূর্বপুরুষরা পাকিস্তান যাননি কেন? আজ তার খেসারত দিতেই হবে আমাদের।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাওলানা আজাদ, জওহরলাল নেহরু, সর্দার প্যাটেল, বাপুকে জিজ্ঞাসা করুন। ওঁরা মুসলিমদের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৪৭-এ দেশ ভাগ হয়ে গেলেও, আজও মাথা উঁচু করে বাঁচার সুযোগ পায়নি মুসলিমরা। আজও শাস্তি ভোগ করছি আমরা।’

আনন্দবাজার বলছে, আজম খানের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই শনিবার মুখতার আব্বাস নকভির প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছিল। তার জবাবেই গণপিটুনির অভিযোগকে ‘সাজানো এবং মিথ্যা ঘটনা’ বলে দাবি করেন তিনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকে গত কয়েক বছরে গণপিটুনি এবং পিটিয়ে মারার মতো ঘটনা যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে, তার প্রমাণ মিলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টেও। তাদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, শুধু ২০১৬-২০১৯ সালের শুরু পর্যন্ত দুই হাজার আটটি সংখ্যালঘু ও দলিত হেনস্থার অভিযোগ জমা পড়েছে তাদের কাছে। যার মধ্যে ৮৬৯টি ঘটনাই ঘটেছে উত্তরপ্রদেশে। উত্তরপ্রদেশের বেশিরভাগ সময়ই দলিত এবং সংখ্যালঘুরাই আক্রান্ত হয়েছেন।

আরপি

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও