পরকীয়ায় জড়িয়ে পলায়ন, স্ত্রীর প্রেমিকের ৩ স্বজনকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে খুন

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

পরকীয়ায় জড়িয়ে পলায়ন, স্ত্রীর প্রেমিকের ৩ স্বজনকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে খুন

পরিবর্তন ডেস্ক ১০:১২ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৮, ২০১৯

পরকীয়ায় জড়িয়ে পলায়ন, স্ত্রীর প্রেমিকের ৩ স্বজনকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে খুন

স্ত্রী ফরিদা বিবির পরকীয়া মেনে নিতে পারছিলেন না রবিউল। এর ওপর মঙ্গলবার সেই প্রেমিকের হাত ধরে বাড়ি ছাড়েন তিনি।

আক্রোশ এতটাই চেপে বসে যে, স্ত্রীর প্রেমিকের তিন আত্মীয়কে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে খুন করার অভিযোগ উঠেছে রবিউলের বিরুদ্ধে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলার আক্রা এলাকার এ ঘটনা ঘটেছে বলে বৃহস্পতিবার খবর দিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ বলেছে, রবিউলের বাড়ি মুর্শিদাবাদে। পেশায় রাজমিস্ত্রি রবিউল কর্মসূত্রে স্ত্রীকে নিয়ে আক্রায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন।

অভিযুক্ত ঘাতক রবিউল

সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, স্ত্রী ফরিদা বিবি এলাকারই রোহিত নামে এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়া করছে। মঙ্গলবার রাতে রোহিতের সঙ্গেই ফরিদা পালিয়ে যান।

এরপর রোহিতের ভগ্নিপতি মহম্মদ রহমতের বাড়ির চারপাশে বৈদ্যুতিক তার বিছিয়ে রাখেন রবিউল। সেই তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান রহমতসহ তিনজন।

এলাকাবাসীর দাবি, রহমত যে বাড়িতে থাকতেন, তার চারপাশে বুধবার রাতে বিদ্যুতের তার বিছিয়ে রেখেছিলেন রবিউল। এরপর গভীর রাতে ওই বাড়ির উঠোনে থাকা কাপড় এবং আশপাশের ঝোপে আগুন ধরিয়ে দেন তিনি।

আগুন আতঙ্কে বাড়ির বাইরে বের হতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি। বিছিয়ে রাখা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান তিনজন।

তারা হলেন- মহম্মদ রহমত, সুলতান আহমেদ এবং শেখ জাকির হুসেন।

স্থানীয় বাসিন্দা নাসির মণ্ডল বলেন, ‘রবিউল এভাবে প্রতিশোধ নেবে বুঝতেও পারিনি।’

পুলিশ বলছে, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছয়জন আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনজনকে চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা রবিউলকে ধরে বেধড়ক মারধর করে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কোথা থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়া হয়েছিল, পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে ৫০ মিটার দূরে অভিযুক্তের বাড়ি। সেখান থেকেই বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়া হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

আইএম

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও