মোদি চান দিল্লির বৈঠকে থাকুন মমতা

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

মোদি চান দিল্লির বৈঠকে থাকুন মমতা

পরিবর্তন ডেস্ক ১২:৩৫ অপরাহ্ণ, জুন ১৭, ২০১৯

মোদি চান দিল্লির বৈঠকে থাকুন মমতা

পশ্চিমবঙ্গের সরকারকে যেন টার্গেট করা না হয়, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছেই সেই দাবি জানিয়েছে তৃণমূল। আর এ নিয়ে আলোচনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদি।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, সংসদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে সোমবার। তার আগে গতকাল দিল্লিতে বসেছিল সর্বদলীয় বৈঠক। সেই বৈঠকেই সংসদের দুই কক্ষের তৃণমূলের দুই নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডেরেক ও’ব্রায়েন দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে মর্যাদা দিয়ে রাজ্যের ওপর ‘হস্তক্ষেপ’ বন্ধ করুক কেন্দ্র। বিশেষ কোনো রাজ্যকে যেন ‘নিশানা’ করা না হয়।

আনন্দবাজার বলছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, সংসদীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীরা থাকলেও প্রধানমন্ত্রী মোদি তখন বৈঠকে ছিলেন না। তিনি পরে এসে বৈঠকে যোগ দেন। যে কারণে বৈঠক শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে ওঠা পর্যন্ত তার সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে তাদের দাবির কথা জানান সুদীপবাবু। প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেন, ১৯ জুন বুধবার সব দলের নেতাদের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে এ প্রসঙ্গে কথা হতে পারে।

কেন্দ্রীয় সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, বুধবার প্রধানমন্ত্রী সব দলের সভাপতিকে নিয়ে বৈঠক করবেন দিল্লিতে। মোদিরা চাইছেন, তৃণমূলের চেয়ারপারসন মমতা ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকুন। সংসদীয় মন্ত্রী জোশী এ দিনই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে চিঠিও পাঠিয়েছেন। তবে মমতা সেই বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি যাবেন কি না, আজ (রোববার) রাত পর্যন্ত তা স্পষ্ট নয়।

তৃণমূলের প্রথম সারির এক নেতার কথায়, ‘সর্বদল বৈঠকে দায়িত্ব ছিল সুদীপদার ওপর। তিনি যা বলার, বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী যাবেন কি না, তিনিই ঠিক করবেন। এই সপ্তাহে তার কিছু কর্মসূচি পূর্বনির্ধারিত আছে।’

আমন্ত্রিত হলেও শনিবার দিল্লিতে বৈঠকে ছিলেন না মমতা। এরই মধ্যে অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলার প্রশাসনকে তিনটি ‘অ্যাডভাইসরি’ পাঠিয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে এভাবে পর পর তিনটি ‘অ্যাডভাইসরি’ সাম্প্রতিক অতীতে বেনজির ঘটনা।

এই ঘটনাপ্রবাহের জেরেই এদিন ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে তৃণমূলের নেতারা দাবি করেন, রাজ্যের নির্বাচিত সরকারকে কাজ করতে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তখন না থাকায় পরে তার সঙ্গে সুদীপবাবু আলাদা করে কথা বলতে যান।

পরে সুদীপবাবুর কথা শুনে নরেন্দ্র মোদি বুধবারের বৈঠকের কথা তোলেন। রাজনাথও সে সময় পাশে ছিলেন, তবে তিনি মন্তব্য করেননি।

আরপি

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও