কাঠুয়ায় ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ৬

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | 2 0 1

কাঠুয়ায় ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ৬

পরিবর্তন ডেস্ক ২:৩৩ অপরাহ্ণ, জুন ১০, ২০১৯

কাঠুয়ায় ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ৬

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ‍ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় ছয়জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে পাঠানকোটের বিশেষ আদালত।

এই ঘটনায় প্রাক্তন সরকারি অফিসার সঞ্জিরামসহ মোট সাতজন অভিযুক্ত ছিলেন। তথ্য-প্রমাণের অভাবে তাদের মধ্যে একজনকে আদালত বেকসুর খালাস দিয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, আজ সোমবারই দোষীদের সাজা ঘোষণা করতে পারে আদালত। দোষীদের কমপক্ষে যাবজ্জীবন এবং সর্বাধিক মৃত্যুদণ্ডের সাজা হতে পারে। গত ৩ জুন জেলা-দায়রা আদালতে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। এই মামলার শুনানি হয় গোপনে।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি যাযাবর সম্প্রদায়ের এক নাবালিকাকে অপহরণ করা হয়। জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়ায় একটি মন্দিরে আটকে রেখে, মাদক খাইয়ে গণধর্ষণ করা হয় তাকে। এর পর শ্বাসরোধ করে, মাথা থেঁতলে খুন করা হয়। ১৭ জানুয়ারি জঙ্গল থেকে ওই নাবালিকার ক্ষত-বিক্ষত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। প্রবল চাপের মুখে পড়ে তদন্তভার দেওয়া হয় ক্রাইম ব্রাঞ্চকে। তদন্তে নেমে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের এক সাব-ইনস্পেক্টর এবং এক হেড কনস্টেবলকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারী অফিসাররা।

রাজস্ব দফতরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সঞ্জি রাম ২০ মার্চ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে। সঞ্জি রাম ছাড়াও এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয় তার ছেলে বিশাল, তার ভাইপো, তার এক বন্ধু আনন্দ দত্ত  এবং আরও দুই পুলিশ অফিসার দীপক খাজুরিয়া ও সুরেন্দ্র বর্মাকে।

ক্রাইম ব্রাঞ্চের তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছিলেন, যাযাবর সম্প্রদায়ের মধ্যে ভীতি তৈরি করতেই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করে অভিযুক্তরা।

আরপি

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও