বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাংচুর, অমিত শাহের ‍বিরুদ্ধে এফআইআর

ঢাকা, ১৮ জুলাই, ২০১৯ | 2 0 1

বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাংচুর, অমিত শাহের ‍বিরুদ্ধে এফআইআর

পরিবর্তন ডেস্ক ২:২৮ অপরাহ্ণ, মে ১৫, ২০১৯

বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাংচুর, অমিত শাহের ‍বিরুদ্ধে এফআইআর

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে উপমহাদেশের প্রখ্যাত মনীষী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাংচুরের ঘটনায় দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সভাপতি অমিত শাহের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে কলকাতা পুলিশ।

পাশাপাশি গতকাল রাত থেকে এখনও পর্যন্ত ওই তাণ্ডবের ঘটনায় মোট ৫৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও বেশ কয়েকজনের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ।

এদিকে, অমিত শাহ তার বিরুদ্ধে এফআইআর করা নিয়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। আমরা ভয় পাই না। মমতা চাইলে নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত করতে পারেন।’

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ এবং বিদ্যাসাগর কলেজের তাণ্ডবের ঘটনায় জোড়াসাঁকো থানা এবং আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। বিদ্যাসাগর কলেজের এক শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে অমিত শাহ-সহ রোড শোতে উপস্থিত বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং অজ্ঞাতপরিচয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় আর্মহার্স্ট স্ট্রিট থানায়।

অন্যদিকে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের ধস্তাধস্তি এবং দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এফআইআর করে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। পাশাপাশি মঙ্গলবার দুপুরে লেনিন সরণিতে রোড শোয়ের প্রস্তুতি চলাকালীন নির্বাচন কমিশনের একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে কমিশন।

আনন্দবাজার বলছে, বিদ্যাসাগর কলেজের তাণ্ডবের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়ে গেছে, গতকাল রাতেই জানিয়েছিলেন পুলিশ কমিশনার রাজেশ কুমার। একই সঙ্গে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল গ্রেফতার করা হয়েছে ১৬ জন হাঙ্গামাকারীকে। এখনও পর্যন্ত সেই গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮। আরও বেশ কয়েকজনের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানাচ্ছে কলকাতা পুলিশ।

উল্লেখ্য, গতকাল বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের রোড শো ঘিরে সংঘর্ষের মধ্যেই বিদ্যাসাগর কলেজে ঢুকে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। শুধু বিদ্যাসাগরের মূর্তিই নয়, কলেজের গেট, আসবাবপত্র ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি পুরো এলাকা তছনছ করার জন্যও অভিযুক্ত বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

আরপি

 

দক্ষিণ এশিয়া: আরও পড়ুন

আরও