রাখাইনের বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষার আহ্বান জানালো ইইউ, জাতিসংঘ

ঢাকা, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯ | ১১ চৈত্র ১৪২৫

রাখাইনের বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষার আহ্বান জানালো ইইউ, জাতিসংঘ

পরিবর্তন ডেস্ক ৫:২৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০১৯

রাখাইনের বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষার আহ্বান জানালো ইইউ, জাতিসংঘ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘর্ষরত সব পক্ষকে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ)।

গত সপ্তাহে বৌদ্ধ বিদ্রোহী দল আরাকান আর্মি কয়েকটি পুলিশ পোস্টে হামলা চালিয়ে ১৪ জন পুলিশকে হত্যা নয় জনকে আহত করার পর রাখাইন আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

দেশটির মিয়ানমার টাইমস পত্রিকা জানায়, বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এক বিবৃতিতে যুদ্ধরত সব পক্ষকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন মেনে বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

'রাখাইন রাজ্যের গভীর ঐতিহাসিক সমস্যাগুলো কেবল সংলাপের মাধ্যমেই সমাধান করা যেতে পারে। একইসঙ্গে সেখানে প্রয়োজন সবার অন্তর্ভুক্তিসহ রাজনৈতিক প্রক্রিয়া,' বলা হয় ইই'র বিবৃতিতে।

অনেক সংঘর্ষের জায়গায় সেনাবাহিনীর ঘোষণা করা একতরফা যুদ্ধবিরতি চার মাস পরেও বহাল থাকবে এবং রাখাইনে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হবে বলে আশা প্রকাশ করে ইইউ। এর ফলে কয়েক দশকেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধের অবসানের সূচনা হতে পারে বলে মনে করে তারা।

আগে বুধবার, মিয়ানমারের জাতিসংঘ কর্মকর্তা নুট অস্টবি নুট অস্টবি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মিকে 'বেসামরিক লোকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে’ এবং মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান।

একইসঙ্গে তিনি সব পক্ষকে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাতে উদ্যোগী হওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন ওই বিবৃতিতে।

অস্টবি রাখাইনের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সেখানে দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ বাস্তুহারা হয়েছে।

৪ জানুয়ারি ভোরে পুলিশ পোস্টে আরাকান আর্মির হামলার পর মিয়ানমারের সরকার সেনাবাহিনীকে সব ক্ষমতা ব্যবহার করে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছে।

অস্টবি ওই হামলার খবরে স্তম্ভিত হয়েছেন জানিয়ে হতাহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তার বিবৃতিতে।

মিয়ানমার টাইমস জানায়, জাতিসংঘ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখছে। সংস্থাটি লড়াইয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মানবিক সহায়তা প্রদানের উদ্যোগে সহায়তা করারও ইচ্ছা জানিয়েছে।

এমআর/এসবি