কর্নাটকে লুকিয়ে ছিলেন জেএমবির সেই ‘বোমা মিজান’

ঢাকা, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯ | ১২ বৈশাখ ১৪২৬

কর্নাটকে লুকিয়ে ছিলেন জেএমবির সেই ‘বোমা মিজান’

পরিবর্তন ডেস্ক ৪:৫১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০৭, ২০১৮

কর্নাটকে লুকিয়ে ছিলেন জেএমবির সেই ‘বোমা মিজান’

ভারতের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) জেএমবির সন্দেহভাজন তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে ময়মনসিংহের ত্রিশালে পুলিশ ভ্যানে হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেয়া জেএমবি নেতা বোমা মিজানও রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস মঙ্গলবার জানায়, জেএমবির দুইজন সদস্যকে কেরালা এবং আরেকজন সদস্যকে কর্নাটক থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জানুয়ারি মাসে বিহারের বোধ গয়া এবং ২০১৪ সালে বুরদোয়ানের বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

এনআইএ-র ওয়েবসাইট জানিয়েছে, ৩৮ বছর বয়সী জাহিদুল ইসলাম ওরফে কাউসার ওরফে মুন্না ওরফে মিজান ওরফে বোমা মিজানকে কর্নাটকের রামনগর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, এনআইএ এবং ভারতের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো সোমবার কর্নাটকের রামনগর জেলায় অভিযান চালিয়ে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি নাগরিক কাউসার ওরফে মুনির শেখ ওরফে সুজন মিয়াকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত অন্য দুই সন্দেহভাজন জেএমবি সদস্য হচ্ছে- আবদুল করিম ও মুস্তাফিজুর রাহমান। তারা পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম অঞ্চলের বাসিন্দা। তাদেরকে কেরালার মালাপ্পুরাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এনআইএর বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এনআইএর সদস্যরা তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিস্ফোরকের আলামত ছাড়াও কয়েকটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র পেয়েছে। সে ভারতে জেএমবির শীর্ষ নেতা এবং বুরদোয়ান বিস্ফোরণের মামলা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন মামলার আসামি।

২০১৪ সালে বোমা বিস্ফোরণ মামলার চার্জশিটে কাউসারকে ‘নাম্বার ২৪’ ও ‘জেএমবির সিনিয়র লিডার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই বোমা হামলায় দুইজন নিহত হয়েছিল। কেরালায় তার সহযোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের পর পুলিশ তাকে খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়।

এ বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহিদুল ইসলাম ওরফে বোমারু মিজান এবং সালাউদ্দিন সালেহিন ভারতে জেএমবির নতুন শাখা চালু করেছে।

এমআর/এমএসআই