গোপনাঙ্গের গভীরে কোকেন, বিপদে গোয়েন্দারা

ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

গোপনাঙ্গের গভীরে কোকেন, বিপদে গোয়েন্দারা

পরিবর্তন ডেস্ক ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০১৮

গোপনাঙ্গের গভীরে কোকেন, বিপদে গোয়েন্দারা

গোপনাঙ্গের ভেতরে ঢুকিয়ে আনা হচ্ছিল কোকেন। কিন্তু চলাফেরার সময় তা পৌঁছে গিয়েছে ইউটেরাসে। সেই মাদক বেরও করা যাচ্ছে না। আর ভেতরে থাকা কোকেনের একটা ক্যাপসুল ফাটা মানেই মৃত্যু।

মাদক পাচারকারী ধরে এখন মহাবিপদে নারকোটিক কন্ট্রোল ব্যুরোর গোয়েন্দারা।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, সোমবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জেট এয়ারওয়েজে মুম্বাই থেকে আসা যাত্রী ডেভিড ব্লেসিং (৩০)কে আটক করেন গোয়েন্দারা। বিমানবন্দরে প্রাথমিক তল্লাশির পর ২০টি এলএসডি ব্লটের হদিশ পাওয়া যায় এই নাইজেরিয়ান নারীর কাছ থেকে।

এনসিবি এবং শুল্ক দফতরের নারী কর্মীদের সন্দেহ হয়, আরও মাদক লুকানো রয়েছে। এই সন্দেহে ওই নারীর দেহ তল্লাশির সময়ই ডেভিডের পায়ুদ্বার থেকে পাওয়া যায় ১২ গ্রাম কোকেন।

জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী স্বীকার করেন আরও কোকেন লুকানো তার গোপনাঙ্গে। প্রথমে তাকেই বের করতে বলেন গোয়েন্দারা। কিন্তু নারী নিজেই কিছুক্ষণ চেষ্টা করার পর জানান যে তিনি বের করতে পারছেন না।

সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ভিআইপি রোডের পাশে একটি বেসকারি হাসপাতালে। সেখানে এক্স-রে করে দেখা যায় ইউটেরাসের কাছে কিছু ভরা রয়েছে। কিন্তু চিকিৎসকরা বের করতে ব্যর্থ হন।

তারা জানিয়ে দেন গোয়েন্দাদের যে ট্রান্স-ভ্যাজিনাল আল্ট্রা সোনোগ্রাফি না করলে ভেতরে থাকা জিনিসের সঠিক অবস্থান বোঝা সম্ভব নয়। আর সেই অবস্থান না জানলে বের করাও যাবে না।

এদিকে, রাতে হাসপাতালে রেডিওলজিস্ট না থাকায় আল্ট্রা সোনোগ্রাফি করা যায়নি। আর যত সময় যাচ্ছে ততই উৎকণ্ঠা বাড়ছে গোয়েন্দাদের।

এক শীর্ষ এনসিবি কর্তা জানিয়েছেন, সাধারণত এক ধরনের ক্যাপসুলে ভরে এরা কোকেন পাচার করে। ১২ ঘণ্টার বেশি সময় গোপনাঙ্গের ভেতরে রয়েছে ওই ক্যাপসুল। কোনও ভাবে ফেটে কোকেন শরীরে মিশে গেলে প্রাণসংশয় হতে পারে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রায় তিন বছর ধরে মুম্বাইতে আছে ডেভিড। তিনি একটি বড় মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত। তার কাছ থেকে সেই চক্রের অনেক তথ্য পাওয়া সম্ভব। কিন্তু আপাতত জেরা করা দূরে, আসামির দ্রুত আরোগ্য কামনায় ব্যস্ত গোয়েন্দারা।

এসবি