অভিবাসন ঠেকাতে ১১০টি উড়োজাহাজ-বিমান বিক্রি করছে মেক্সিকো

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

অভিবাসন ঠেকাতে ১১০টি উড়োজাহাজ-বিমান বিক্রি করছে মেক্সিকো

পরিবর্তন ডেস্ক ১:৪৪ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০১৯

অভিবাসন ঠেকাতে ১১০টি উড়োজাহাজ-বিমান বিক্রি করছে মেক্সিকো

আমেরিকার শর্ত অনুযায়ী সীমান্তে অভিবাসন ঠেকাতে এবার উড়োজাহাজ বিক্রি করছে মেক্সিকো। দেশটির প্রেসিডেন্টের ব্যবহারের জন্য বছর তিনেক আগে কেনা হয় উড়োজাহাজটি।

নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময়ই বামপন্থী লোপেজ প্রেসিডেন্সিয়াল জেট বিক্রি করে দরিদ্র মানুষের কাজে ব্যয় করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

বিবিসি বলছে, ২০১৬ সালে কেনা বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারটির আনুমানিক মূল্য ১৫ কোটি মার্কিন ডলার। যা প্রায় ২২ কোটি মার্কিন ডলার দিয়ে কেনা হয়েছিল।

মেক্সিকোতে অ্যামলো নামে পরিচিত প্রেসিডেন্ট প্রচারণার সময় সমর্থকদের বলেছিলেন, প্রয়োজনে তিনি বরং বাণিজ্যিক বিমানে চড়বেন। নিজের সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে এবার তা বাস্তবে রূপ দিতে চলেছেন অ্যামলো।

খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের জেটটি এখন ক্যালিফোর্নিয়ার এক ওয়্যারহাউজে রয়েছে। তবে মেক্সিকো এই একটি বিমানই বিক্রি করছে না। সরকারি মালিকানাধীন ৬০টি বিমান এবং ৭০টি হেলিকপ্টার বিক্রি করছে দেশটির সরকার।

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডর এই সিদ্ধান্ত নিলেন এমন এক সময়, যখন মাত্র কয়েকদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সীমান্তে শরণার্থী স্রোত ঠেকানোর জন্য নতুন এক চুক্তি করেছে দেশটি।

ওই চুক্তির মাধ্যমে মেক্সিকো অবৈধ অভিবাসন বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে, আর বিনিময়ে মেক্সিকো যুক্তরাষ্ট্রে যেসব পণ্য রপ্তানি করবে, তার ওপর উচ্চ শুল্ক হার বসাবে না ট্রাম্প প্রশাসন।

চুক্তির একটি ধারা অনুযায়ী মেক্সিকো দেশটির দক্ষিণে গুয়াতেমালা সীমান্তে ন্যাশনাল গার্ড বসাবে।

গতকাল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে লোপেজকে এ চুক্তির বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়, জবাবে তিনি বলেন, চুক্তি মানতে যে বিপুল খরচ হবে, তা যোগান দিতে এ অর্থ প্রয়োজন হবে।

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা ছিল মেক্সিকোর পণ্য আমদানির ওপর পাঁচ শতাংশ হারে শুল্ক বসাবেন তিনি। কিন্তু গত সপ্তাহে স্বাক্ষর হওয়া ওই চুক্তির মাধ্যমে মেক্সিকো সেই শুল্ক এড়িয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী মেক্সিকো ৬০০০ ন্যাশনাল গার্ড পাঠাচ্ছে সীমান্তে। এ ছাড়া চুক্তির আরেকটি শর্ত হচ্ছে, মেক্সিকো থেকে যারা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় প্রার্থনা করেছে, তাদের মেক্সিকোয় ফিরিয়ে আনতে হবে।

আরপি

 

দক্ষিণ আমেরিকা: আরও পড়ুন

আরও