‘ইকুয়েডরের দূতাবাস গুপ্তচরবৃত্তির কাজে ব্যবহার করতেন অ্যাসাঞ্জ’

ঢাকা, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ | ৪ কার্তিক ১৪২৬

‘ইকুয়েডরের দূতাবাস গুপ্তচরবৃত্তির কাজে ব্যবহার করতেন অ্যাসাঞ্জ’

পরিবর্তন ডেস্ক ৭:০৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০১৯

‘ইকুয়েডরের দূতাবাস গুপ্তচরবৃত্তির কাজে ব্যবহার করতেন অ্যাসাঞ্জ’

উইকিলিকসের সহপ্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ লন্ডনে অবস্থিত ইকুয়েডরের দূতাবাসকে ‘গুপ্তচরবৃত্তির কেন্দ্র হিসেবে’ ব্যবহার করতেন বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।

ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো বলেন, অন্য কোনও দেশের প্রভাবে অ্যাসাঞ্জের রাজনৈতিক আশ্রয় বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন নি তারা। বরং অ্যাসাঞ্জের বিভিন্ন অবাধ্যতার জন্য এটা বাতিল করা হয়েছে।

ব্রিটিশ পত্রিকা গার্ডিয়ানকে প্রেসিডেন্ট মোরেনো বলেন, ইকুয়েডরের আগের সরকার অ্যাসাঞ্জকে অন্য দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে ‘হস্তক্ষেপের’ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।

অ্যাসাঞ্জের আইনজীবী আগে ইকুয়েডরের বিভিন্ন ‘যাচ্ছেতাই অভিযোগের’ সমালোচনা করেছেন।

দূতাবাসে অ্যাসাঞ্জের ৭ বছরের আশ্রয়ের ইতি টানা প্রসঙ্গে মোরেনো বলেন, ‘অস্থিতিশীলতা তৈরির যেকোনো চেষ্টাই ইকুয়েডরের কাছে নিন্দনীয়। কারণ আমরা একটা সার্বভৌম দেশ এবং অন্য দেশের রাজনীতিকে আমরা সম্মান করি।’

‘আমরা আমাদের বাড়িকে, যে বাড়ির দ্বার খুলে দেয়া হয়েছিল, সেটিকে গুপ্তচরবৃত্তির কেন্দ্র হতে দিতে পারি না,’ যোগ করেন তিনি।

উইকিলিকস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ২০১২ সাল থেকে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে বসবাস করছিলেন।

ধর্ষণের অভিযোগে সুইডেনে একটি মামলা এড়াতে অ্যাসাঞ্জ ইকুয়েডরের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন।

তার দিক থেকে এই আশংকাও ছিল যে ব্রিটিশ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে সুইডেনে পাঠানোর পর সেখান থেকে তাকে আমেরিকার হাতে তুলে দেয়া হতে পারে।

লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসের বাইরে সবসময় পুলিশ অবস্থান করতো যাতে অ্যাসাঞ্জ সেখান থেকে বের হলেই তাকে গ্রেফতার করা যায়। গত বৃহস্পতিবার তাকে সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয়।

অ্যাসাঞ্জ-এর বিরুদ্ধে ২০১০ সালে সুইডেনে দু’জন মহিলাকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা ছিল, কিন্তু তা পরবর্তীতে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। অ্যাসাঞ্জ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

লন্ডন পুলিশ বলছে, আদালতে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে অ্যাসাঞ্জকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এমআর/এএসটি

 

দক্ষিণ আমেরিকা: আরও পড়ুন

আরও