কিউবায় আরেক কানাডীয় কূটনীতিক ‘রহস্যময়’ রোগে আক্রান্ত

ঢাকা, ১৭ এপ্রিল, ২০১৯ | 2 0 1

কিউবায় আরেক কানাডীয় কূটনীতিক ‘রহস্যময়’ রোগে আক্রান্ত

পরিবর্তন ডেস্ক ৩:৩৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০১৮

কিউবায় আরেক কানাডীয় কূটনীতিক ‘রহস্যময়’ রোগে আক্রান্ত

কিউবার হাভানায় কানাডার আরেক কূটনীতিক মস্তিষ্কের রহস্যময় অসুখে আক্রান্ত হয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ২০১৬ সাল থেকে কিউবার রাজধানীতে মস্তিষ্কের রহস্যময় অসুখে আক্রান্ত হয়েছেন কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন কূটনীতিক।

চলতি বছর গ্রীষ্মের শুরুতে এই কূটনীতিকের অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া যায়। তিনিসহ এখন পর্যন্ত কানাডার ১৩ জন কূটনীতিক ও তাদের স্বজনেরা সেখানে মস্তিষ্কের পীড়ায় আক্রান্ত হলেন।

কানাডার এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কিউবায় কানাডার কূটনীতিক উপস্থিতির বিষয়টি পুনঃমূল্যায়ন করা হচ্ছে।

নাম গোপন রাখার শর্তে তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে, আরও একজন কর্মচারী অস্বাভাবিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন।’

‘এসব সমস্যা আগে কিউবায় অসুস্থ হয়ে পড়া কূটনীতিকদের সমস্যার অনুরূপ,’ যোগ করেন ওই কানাডার কর্মকর্তা।

পুনঃমূল্যায়ন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, হাভানায় আমাদের কূটনীতিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়ে নিশ্চিত করতে সকল পদক্ষেপের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এর বেশি বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

অসুস্থ কানাডীয়রা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যদিকে, ফেডারেল পুলিশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মিলিতভাবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

কোনো ধরনের শব্দ সৃষ্টিকারী অস্ত্র ব্যবহার করে কূটনীতিকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে বলে শুরুতে সন্দেহ করছিল কানাডীয় ও মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

এরপর ওয়াশিংটন ও কানাডার মধ্যকার সম্পর্কে উত্তেজনা দেখা দেয়। কিন্তু, পরে অটোয়া জানায়, এটা হওয়ার সম্ভাবনা কম।

ফেব্রুয়ারি মাসে একটি জার্নালে মার্কিন চিকিৎসকরা ‘নতুন এক ধরনের অসুখের’ কথা বলেন। তারা অসুস্থ ২১ জন মার্কিন কূটনীতিকের চিকিৎসা করেছিলেন। কানাডাও ওই নতুন অসুখের তত্ত্ব মেনে নিয়েছে।

আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন বৈশ্বিক পরিস্থিতি, অভিবাসন ও জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্য ও সন্তানেরা।

এপ্রিল মাসে হাভানা থেকে কানাডার কূটনীতিকদের দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু, কানাডার পর্যটকরা সেখানে কোনো ঝুঁকিতে আছে বলে মনে করা হচ্ছে না।

এমআর/আইএম

 

দক্ষিণ আমেরিকা: আরও পড়ুন

আরও