সামাজিক মাধ্যমগুলোর জন্য চড়া অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা চালু করল জার্মানি

ঢাকা, শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮ | ৬ শ্রাবণ ১৪২৫

সামাজিক মাধ্যমগুলোর জন্য চড়া অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা চালু করল জার্মানি

পরিবর্তন ডেস্ক ৮:৩৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০২, ২০১৮

print
সামাজিক মাধ্যমগুলোর জন্য চড়া অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা চালু করল জার্মানি

সামাজিক মাধ্যমগুলো তাদের সাইট থেকে ঘৃণা বা বিদ্বেষকে উৎসাহিত করে এমন পোস্ট মুছে ফেলতে ব্যর্থ হলে তাদেরকে বেশ বড় অঙ্কের টাকা জরিমানা দিতে হবে। সোমবার থেকে এই আইনটি জার্মানিতে কার্যকর করা হয়েছে।

নতুন আইন অনুযায়ী ফেসবুক বা টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোকে ২৪ ঘণ্টা বা বিশেষ ক্ষেত্রে ৭ দিনের মধ্যে বিদ্বেষপ্রসূত কোনো পোস্ট সরিয়ে ফেলতে হবে। তারা এমনটি করতে ব্যর্থ হলে দেশটির নেটওয়ার্ক এনফোর্সমেন্ট অ্যাক্ট অনুযায়ী ৫০ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ৫০০ কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হবে।

আইনটি অক্টোবর মাসে চালু করা হলেও সোশ্যাল নেটওয়ার্কগুলোকে ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ছাড় দিয়েছিল জার্মানি। এখন থেকে দেশটিতে আর কেউ ফেসবুক, টুইটার বা অন্য কোনো সামাজিক সাইট ব্যবহার করে কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াতে পারবে না।

আইনটির কারণে স্বাধীন মত প্রকাশ বাধাগ্রস্ত হবে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। কিন্তু, জার্মানিতে ইতিমধ্যেই অপপ্রচার ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ঠেকাতে এমন আরও কয়েকটি বেশ কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

গত বছর জুন মাসে বিদ্বেষপ্রসূত অপপ্রচারের অভিযোগে ৩৬ জন নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় জার্মানি।

তবে, সোশ্যাল সাইটগুলো এই আইন কতটা মেনে চলবে তা এখনো পরিষ্কার নয়। এখন পর্যন্ত এই আইনের আওতায় কোনও ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছি নাকি তাও জানা যায়নি।

জার্মানি একাই শুধু প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঘৃণামূলক পোস্ট সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেয়নি, ইউরোপীয়ান ইউনিয়নও একই রকম অনুরোধ জানিয়েছে বিভিন্ন সাইটকে।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন ইস্যুতে বিতর্কিত ভূমিকা পালন করায় ২০১৭ সাল জুড়ে দারুণ সমালোচিত ছিল, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব ও গুগল। এ বছরের শুরুতেই এমন জরিমানার হুমকির সম্মুখীন হওয়ায় বিভিন্ন পোস্ট নিয়ন্ত্রণ করতে বেশ বেগ পেতে হবে সাইটগুলোকে।

এমআর/এএসটি

 
.



আলোচিত সংবাদ