কুরআনের চার আয়াতে নবীজির সাথে মুমিনদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বর্ণনা

ঢাকা, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯ | ১১ চৈত্র ১৪২৫

কুরআনের চার আয়াতে নবীজির সাথে মুমিনদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বর্ণনা

পরিবর্তন ডেস্ক ৭:৪৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০১৮

কুরআনের চার আয়াতে নবীজির সাথে মুমিনদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বর্ণনা

নবীজি (সা) এর সাথে মুমিনদের সম্পর্ক কেমন ছিল? কেবলই নেতা ও কর্মীর মধ্যকার আদেশ ও আনুগত্যের সম্পর্ক? কুরআন আমাদের এ প্রশ্নের উত্তর দেয়। কুরআন আমাদের জানিয়ে দেয়, রাসুলুল্লাহ (সা) ও মুমিনদের মধ্যকার উষ্ণ ও ঘনিষ্ঠতর সম্পর্কের কথা। নিম্নে এমনই চারটি আয়াত উল্লেখ করা হল।

এক.

النَّبِيُّ أَوْلَى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَنفُسِهِمْ وَأَزْوَاجُهُ أُمَّهَاتُهُمْ

“নবী মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা অধিক ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর (নবীজির) স্ত্রীগণ তাদের (মুমিনদের) মাতা।...” (সূরা আহযাব, আয়াত: ৬)

দুই.

لَقَدْ جَاءكُمْ رَسُولٌ مِّنْ أَنفُسِكُمْ عَزِيزٌ عَلَيْهِ مَا عَنِتُّمْ حَرِيصٌ عَلَيْكُم بِالْمُؤْمِنِينَ رَؤُوفٌ رَّحِيمٌ

“তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রসূল। তোমাদের দুঃখ-কষ্ট তার পক্ষে দুঃসহ। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময়।” (সূরা তওবা, আয়াত: ১২৮)

তিন.

وَمِنْهُمُ الَّذِينَ يُؤْذُونَ النَّبِيَّ وَيِقُولُونَ هُوَ أُذُنٌ قُلْ أُذُنُ خَيْرٍ لَّكُمْ يُؤْمِنُ بِاللّهِ وَيُؤْمِنُ لِلْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةٌ لِّلَّذِينَ آمَنُواْ مِنكُمْ وَالَّذِينَ يُؤْذُونَ رَسُولَ اللّهِ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

“আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ নবীকে ক্লেশ দেয়, এবং বলে, এ লোকটি তো কানসর্বস্ব। আপনি বলে দিন, কান হলেও তোমাদেরই মঙ্গলের জন্য, আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখে এবং বিশ্বাস রাখে মুসলমানদের কথার উপর। বস্তুতঃ তোমাদের মধ্যে যারা ঈমানদার তাদের জন্য তিনি রহমতবিশেষ। আর যারা আল্লাহর রসূলের প্রতি কুৎসা রটনা করে, তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।” (সূরা তওবা, আয়াত: ৬১)

চার.

فَبِمَا رَحْمَةٍ مِّنَ اللّهِ لِنتَ لَهُمْ وَلَوْ كُنتَ فَظًّا غَلِيظَ الْقَلْبِ لاَنفَضُّواْ مِنْ حَوْلِكَ فَاعْفُ عَنْهُمْ وَاسْتَغْفِرْ لَهُمْ وَشَاوِرْهُمْ فِي الأَمْرِ فَإِذَا عَزَمْتَ فَتَوَكَّلْ عَلَى اللّهِ إِنَّ اللّهَ يُحِبُّ الْمُتَوَكِّلِينَ   

“আল্লাহর রহমতেই আপনি তাদের জন্য কোমল হৃদয় হয়েছেন পক্ষান্তরে আপনি যদি রাগ ও কঠিন হৃদয় হতেন তাহলে তারা আপনার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতো। কাজেই আপনি তাদের ক্ষমা করে দিন এবং তাদের জন্য মাগফেরাত কামনা করুন এবং কাজে কর্মে তাদের পরামর্শ করুন। অতঃপর যখন কোন কাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ফেলেন, তখন আল্লাহ তাআলার উপর ভরসা করুন। আল্লাহ তাওয়াক্কুল কারীদের ভালবাসেন।” (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৫৯)

এমএফ/

আরও পড়ুন...
ঈদে মিলাদুন্নবী: নবীপ্রেম না অবাধ্যতা
‘ঈদে মিলাদুন্নবী : নবীজিকে শ্রদ্ধা প্রদর্শন নাকি বিদআত?
অত্যাসন্ন ১২ রবিউল আউয়াল; ঈদে মিলাদুন্নবী বিদআত কেন?
সীরাতুন্নবী ও মিলাদুন্নবী : পার্থক্য ও সংশ্লিষ্ট কথা
ঈদে মিলাদুন্নবী বিদআতে হাসানা, একটি ভ্রান্ত কথা
প্রিয়নবী (সা.) এর পাঁচ নাম