দেশে ৩ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯ | ৫ চৈত্র ১৪২৫

দেশে ৩ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে: অর্থমন্ত্রী

পরিবর্তন প্রতিবেদক ১২:৩০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৩, ২০১৮

দেশে ৩ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, সরকার করদাতাদের থেকে যে কর নিচ্ছে সেটা তাদের নিজেদের জন্য নয়, দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্যই এই কর নেয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার আয়কর মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত  ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম  এ মান্নান।

রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে আয়োজিত আয়কর মেলার প্রধান ভ্যানুতে উদ্বোধনের মাধ্যমে সারাদেশে ৭ দিনব্যাপী এ আয়কর মেলার উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী।

মুহিত বলেন, বর্তমানে দেশে আয়কর দেওয়া মানুষের সংখ্যা মাত্র ত্রিশ লাখ। অথচ এই আয়কর দেওয়া উচিত দেশের ৪ কোটি মানুষের। জনগণ এই কর না দেওয়ার কারণে সরকার বড় অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আগে আমাদের দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গরীব ছিল। বর্তমানে এ হার প্রায় ২২ শতাংশে নামিয়ে এনেছি। দেশে এখন ৩ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। দারিদ্র্যের হার আরো কিভাবে কমানো যায় সে লক্ষ্যে আমারা কাজ করে যাচ্ছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে কর প্রদানের সংস্কৃতি চালু হয়েছে। তার প্রমাণ এই আয়কর মেলা। আমাদের আরো বহুদূর যেতে হবে। গত ১০ বছরে বার্ষিক আয় দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। ভবিষ্যতে আরো বাড়াতে হবে।

উন্নয়ন ও উত্তরণ, আয়করের অর্জন’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে রাজধানীসহ সকল বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরে একযোগে শুরু হয়েছে আয়কর মেলা-২০১৮।

এবারের আয়কর মেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘আয়কর প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার ও ধারাবাহিক উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ’। নবম বারের মতো আয়োজিত এবারের আয়কর মেলা সারা দেশে সর্বোচ্চ ১৭৩টি স্থানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এর মধ্যে ১৩ থেকে ১৯ নভেম্বর ঢাকাসহ সব বিভাগীয় শহরে ৭ দিন, জেলা শহরগুলোতে ৪ দিন এবং আর ৩২টি উপজেলায় ২ দিন এবং ৭০টি উপজেলায় ১ দিন ভ্রাম্যমাণ আয়কর মেলা হবে। উপজেলাগুলোতে প্রশাসনের সুবিধা অনুযায়ী আয়কর মেলা আয়োজন করবে।

এদিকে মঙ্গলবার আয়কর মেলার উদ্বোধনের পর থেকেই করদাতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

আয়কর মেলা উপলক্ষে রেডিও, টেলিভিশন, প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারের উদ্যোগ এবং কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, অর্থ প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বিশেষ বাণী দিয়েছেন। কর প্রদানে উৎসাহ ও সচেতনা বৃদ্ধিতে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। দেওয়া হবে করবিষয়ক

এফএ/এএসটি