বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম

ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯ | ১০ চৈত্র ১৪২৫

বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৪:৪২ অপরাহ্ণ, জুলাই ২১, ২০১৮

বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম

রাজধানীতে বেড়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা করে বেড়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। এছাড়া কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধি এখানো অব্যাহত রয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এইসব পণ্যের লাগামহীন দামে দিশেহারা সাধারণ জনগণ।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর বেশ কয়েকটি কাঁচা বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

মিরপুর-১ বড় বাজারে গিয়ে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ টাকা কেজি। আর ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা করে। একইভাবে বেড়েছে রসুনের দাম। ইন্ডিয়ান রসুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা করে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।

মিরপুর বড় বাজারের সালাউদ্দিন নামের এক বিক্রেতা পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, গত সপ্তাহের থেকে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এছাড়া ইন্ডিয়ান রসুনের দাম বেড়েছে কেজিতে প্রায় ১৫ টাকা করে।

তিনি বলেন, দাম আসলে কেন বাড়ছে, এটা আমরা বলতে পারবো না। পাইকারি আড়াৎ থেকেই আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

এদিকে, কাঁচা মরিচের দাম হুহু করে বেড়েই চলেছে। ঈদুল ফিতরের এক সপ্তাহ পর থেকেই বাজারে কাঁচা মরিচের দাম ঊর্ধ্বমুখি। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

গত সপ্তাহে যেখানে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছিল ১১০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা করে, সেই মরিচ এখন মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা থেকে ২০০ টাকা করে।

কাঁচামাল বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, কাঁচা মরিচ প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে দাম বেড়ে গেছে। এখনো সেই অবস্থায় আছে।

এছাড়া ডিমের দাম গতকয়েক দিনে বাড়লেও এখন অনেকটা স্বাভাবিক দামে বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি ও খুচরা বিক্রিতা আব্দুল মতিন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, হালিতে পোল্ট্রির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ টাকা করে। যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা। আর ডজন এখন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা করে।

বাজারে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজি ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে। বেগুন কেজি প্রতি (লম্বা-গোল) ৪০ থেকে ৫০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, করোলা ৫০ টাকা, কাকরোল ৪৫ টাকা, পটল ৪০ টাকা কেজি, লাউ ৪০ টাকা, কচুর মুখি ৪০ টাকা কেজি, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা কেজি, বরবটি ৪০ টাকা কেজি, গাজর ৭০ টাকা কেজি, আলু ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

আর লাল শাকের আঁটি ১৫ টাকা, পালন শাক ২০ টাকা, পাট শাক ১৫ টাকা, পুইশাক ৩০ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচা বাজার করতে এসেছিলেন মিরপুর-১ লিটনুর রহমান নামের এক শিক্ষার্থী।

তিনি পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল জিনিসের দামই বেশি। কাঁচা মরিচ থেকে শুরু অন্যান্য সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে রাজধানীতে নিন্ম আয়ের মানুষের টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাবে।

এদিকে গরুর মাংস ৪৮০ টাকা, ছাগলের মাংস ৭০০ টাকা ও পোল্ট্রির মুরগি ১৫০ টাকা করে কেজি বিক্রি হচ্ছে।

টিএটি/এসবি