‘৭৭২টি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ১৯৬ দেশে’

ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮ | ৮ কার্তিক ১৪২৫

‘৭৭২টি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ১৯৬ দেশে’

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৫:৩৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০১৮

‘৭৭২টি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ১৯৬ দেশে’

‘বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ৭৭২টি পণ্য বিশ্বের ১৯৬ দেশে রপ্তানি হচ্ছে। রপ্তানির এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালে দেশের রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। চামড়া, তথ্য প্রযুক্তি, ফার্মাসিটিক্যালস, প্লাস্টিক, ফার্নিচার খাতকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রয়োজন অনুপাতে অর্থসহায়তাও দিচ্ছি।’

রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পণ্য খাতে সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের অয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রপ্তানি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখায় ২৮টি খাতে ৬২টি প্রতিষ্ঠান ও খাত নির্বিশেষে একটি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৬৩টি প্রতিষ্ঠানকে রপ্তানি ট্রফি প্রদান করেন।

এরমধ্যে ২৮টি স্বর্ণ, ২০টি রৌপ্য ও ১৪টি ব্রোঞ্জ ট্রফি প্রদান করা হয়।

‘জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠানকে সেরা রপ্তানিকারণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের তৈরি পোশাক খাতের অগ্রগতি ঈর্ষণীয়। রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক খাতে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। কারখানাগুলোকে গ্রিন ফ্যাক্টরিতে রূপ দিচ্ছি, যা বিশ্বের কাছে সম্মান অর্জন করেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩২তম অর্থনৈতিক শক্তি। এক সময় বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভর করে আমরা বাজেট করতাম। এখন আমরা নিজেদের ওপর নির্ভর করেই বাজেট দিয়েছি।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ৭.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বিশ্বের অনেক দেশেই নাই। আমরা টেক্সটাইলের ওপর নির্ভর হয়ে পড়ছি। অন্য খাতগুলোতে আমরা কেন পারছি না?

তিনি বলেন, আগামী দিনে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কী হবে? পোর্টে প্রতি ঘণ্টায় খরচ বাড়ে এসব দিকে তাকাতে হবে। তাহলে ২০২১ আমাদের লক্ষ্যমাত্রা, ১০০টি অর্থনৈতিক এলাকার আমরা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি, তা পূরণ করতে পারবো। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়তে রপ্তানি বাড়াতে হবে।

এফএ/এসবি