‘গত অর্থ বছরে পণ্য রফতানিতে আয় ৩৭ বিলিয়ন ডলার’

ঢাকা, বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮ | ২ শ্রাবণ ১৪২৫

‘গত অর্থ বছরে পণ্য রফতানিতে আয় ৩৭ বিলিয়ন ডলার’

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৭:৫৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ০১, ২০১৮

print
‘গত অর্থ বছরে পণ্য রফতানিতে আয় ৩৭ বিলিয়ন ডলার’

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, গত বছরে শুধুমাত্র পণ্য রফতানি থেকে আমাদের আয় হয়েছে ৩৭ বিলিয়ন ডলার। অথচ ১৯৭২-৭৩ সালে রফতানি ছিল মাত্র ৩৪৮ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ রফতানি খাতের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে বেসরকারি খাতসমূহকে এগিয়ে আসতে হবে।

রোববার বিকেলে ওয়েস্টিন হোটেলে টেকসহ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বেসরকারি খাতের ভূমিকা শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য একথা বলেন তিনি।

ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এসডিজি বিষয়ক উইংয়ের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। 

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমাদের ১৯৭২-৭৩ সালে রফতানি ছিল মাত্র ৩৪৮ মিলিয়ন ডলার। তখন ২৫টা পণ্য ৬৫টি দেশে পাঠানো হত। তারমধ্যে তিন পণ্য ছিল মুখ্য পাট, চা এবং চামড়া। আর আজকে ৭৭২টি পণ্য ১৯৯টি দেশে রফতানি হয়ে থাকে। যার মাধ্যমে বিগত অর্থ বছরে শুধু পণ্য রফতানি থেকে আয় হয়েছে ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশ বিশেষ করে ছোট উন্নয়নশীল দেশগুলো। যেমন কেনিয়া তারা উন্নয়নশীল দেশ, তাদের ওখানে গিয়ে দেখেছি রফতানি আয় মাত্র ৬ বিলিয়ন ডলার। আমরা উন্নয়নশীল দেশের তালিকাভুক্ত। আমাদের রফতানি আয় ৩৭ বিলিয়ন ডলার। তারা পরিকল্পনা নিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে তৈরি পোশাক খাত থেকে ১ বিলিয়ন ডলার আয় করবে। আমাদের আগের বছরে তৈরি পোশাক খাতে আয় ছিল ২৮ বিলিয়ন ডলার, গত বছরে ২ বিলিয়ন ডলার বেড়ে ৩০ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ১৯৭২-৭৩ অর্থ বছরে বাজেট ছিল ৭৭৭ কোটি টাকা। আর এবছরে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ এটাই তার প্রমাণ।

তিনি বলেন, আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এবছরে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে ১৮ হাজার বেশি মেগাওয়াট এবং ২০২১ সালের মধ্যে একশত ভাগ বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হবে। আমরা যখন ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আছি, তখন আমাদের বিদ্যুতের কি বেহাল দশা ছিল সবার জানা। এখন লোডশেডিং কোনো ব্যাপারই না। গ্রামে গেলেও চমৎকার।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা ঐতিহাসিক। প্রাইভেট সেক্টরকে আরো সুযোগ দিতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা কর্পোরেট ট্যাক্স কমিয়েছি আড়াই শতাংশ, কিন্তু আড়াই শতাংশ ট্যাক্স বাড়িয়েছি তৈরি পোশাকে। এটা বলা অবশ্যই আমার জন্য সমীচীন নয়। নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী এটা বিবেচনা করবেন।  

এসময় তিনি ব্যবসায়ী শ্রেণিকে সরকারের ২০৩০ সালে টেকসহ উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা (এসডিসি) অর্জনের জন্য কাজ করার ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

এফবিসিসিআই সভাপতি মো. শফিউল ইসলামের (মহিউদ্দিন) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়কারী মো. আবুল কালাম আজাদ।

টিএটি/এসবি

 
.



আলোচিত সংবাদ