মোবাইল আমদানিকারকের অভিনব কায়দায় শুল্ক জালিয়াতি

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮ | ২৯ কার্তিক ১৪২৫

মোবাইল আমদানিকারকের অভিনব কায়দায় শুল্ক জালিয়াতি

পরিবর্তন প্রতিবেদক ৮:১২ অপরাহ্ণ, মে ২২, ২০১৮

মোবাইল আমদানিকারকের অভিনব কায়দায় শুল্ক জালিয়াতি

শুল্ক মূল্যায়ন ও অডিটের (সিভিএ) একটি দল অভিনব পদ্ধতিতে ব্যাংকের কাগজ জালিয়াতির মাধ্যমে একটি মোবাইল আমদানিকারকের আমদানি ও শুল্ক খালাস করার অপকৌশল উদঘাটন করেছে।

সিভিএ’র কমিশনার ড. মইনুল খান মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় আমদানিকারক নিউ এ্যালিফ্যান্ট রোডের আল আরাফা ব্যাংকের শাখায় ৪টি এলসি খোলেন। এগুলোর মাধ্যমে সেলুলার ফোন আমদানির কথা।

কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা কাস্টম হাউসের এয়ারফ্রেইটে ৭টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ক্যাপিটাল মেশিনারি (১%) ও ফার্মা কাঁচামাল (০%) ঘোষণা দিয়ে খালাস নিয়েছেন। এতে ব্যাপক হারে শুল্ক ফাঁকি উদ্ঘাটিত হয়েছে।

মইনুল খান বলেন, এলসিসমূহের ৩টি বিল অব এন্ট্রিতে আমদানিকারক মোবাইল ফোনের পরিবর্তে ক্যাপিটাল মেশিনারি ১% হারে খালাস নিয়েছেন। অন্য ২টিতে ফার্মাসিউটিক্যালস এর কাঁচামাল দেখিয়ে ০% হারে শুল্ক সুবিধা নিয়েছেন। বাকি ২টি বিল অব এন্ট্রিতে তিনি মোবাইলের প্রকৃত সংখ্যা কম দেখিয়েছেন।

তিনি বলেন, অনুসন্ধানে আরো জানা যায় সবগুলোতেই মোবাইল ফোন (শুল্ক ২৯.৫%) আমদানি করেছিলেন। এ জন্য আমদানিকারক বিটিআরসি’র বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র নেননি। ফলে এসব মোবাইলের আইএমইআই নম্বর অনুমোদিত নয়।

এই কর্মকর্তা জানান, মোবাইল ফোনের ৪টি এলসি মূল্য ৩ লাখ ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার। আলোচ্য ৭টি বিল অব এন্ট্রিতে মোবাইল ফোন হিসেবে জালিয়াতির মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দেয়া হয়েছে প্রায় ৫৮ লাখ টাকা।

এফএ/এমএসআই