ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে ৪ থেকে ৮ লেন করার প্রস্তাব

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮ | ৪ শ্রাবণ ১৪২৫

ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে ৪ থেকে ৮ লেন করার প্রস্তাব

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ৬:৩৭ অপরাহ্ণ, মে ০৫, ২০১৮

print
ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে ৪ থেকে ৮ লেন করার প্রস্তাব

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে ঢাকা- চট্টগ্রাম হাইওয়েকে ৪ থেকে ৮ লেনে উন্নীত করার জন্য আসছে অর্থবছরের বাজেটে পরিকল্পনা নিতে প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে ডিসিসিআই বলেছে, এটি করা গেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার শিল্পের উন্নতি হবে অনেক বেশি। এতে করে দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি বেড়ে যাবে ১ শতাংশ।

শনিবার ডিসিসিআইয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব দেয় সংগঠনটি।

ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাশেম খান বাজেট প্রস্তাবগুলো উত্থাপন করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) পর্যাপ্ত না আসার জন্য অবকাঠামো অবস্থা বহুলাংশে দায়ী। আমাদের অবকাঠামো খাত যত আধুনিকায়ন হবে তত বেশি এফডিআই এদেশে আসবে।

আবুল কাশেম খান বলেন, এই খাতের বহু গ্রিন ফিল্ড প্রকল্প কিংবা কোম্পানি টাকার অভাবে কাজ করতে পারছে না। একদিকে সুদের হার ঊর্ধ্বমুখী; অন্য দিকে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন জটিলতায় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, পুঁজিবাজার থেকে টাকা তুলে ব্যবসা করতে হলে আগে ৩ বছর ভালো ব্যবসা করে দেখাতে হবে। এর আগে টাকা সংগ্রহের কোনো উপায় নেই। আর ৩ বছর পরে সেটা সম্ভব হচ্ছে কি না তাও বলা মুশকিল। এ কারণে এ ধরনের কোম্পানিগুলোর ব্যবসা বাড়ানো সম্ভব হয় না। এর ফলে ওই সব কোম্পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন দীর্ঘ মেয়াদে রূপ নেয়।

তিনি বলেন, তাই বাজেটে মেগা প্রকল্পসহ গ্রিন ফিল্ড কোম্পানির তালিকাভুক্তিতে একটি পলিসি তৈরি করার প্রস্তাব করছি। যাতে তারা ৩ বছর আগেই পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারে।

আবুল কাশেম খান বলেন, ডিসিসিআই মনে করে পুঁজিবাজারের রেগুলেটরদের মাঝে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। বাজারের উন্নয়নের স্বার্থে এই সমন্বয় জরুরি।

তিনি বলেন, বাজেট অবকাঠামো খাতকে বেশি করে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে আগামী ৩ বছরকে (২০১৯, ২০, ২১ সাল) অবকাঠামো খাতের উন্নয়নের বছর হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব করছি।

এছাড়া আইপিওতে বিনিয়োগ, অবকাঠামো ফান্ডে বিনিয়োগ, ইক্যুইটিতে বিনিয়োগ এবং অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের জন্য নিট সম্পদের ওপর ধারাবাহিকভাবে সারচার্জ কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে ডিসিসিআই।

সরকারের ভালো প্রকল্পগুলোকে পিপিপির (পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ) আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে বাজেট প্রস্তাবে। এতে বিনিয়োগ বাড়বে। একই সঙ্গে একটি শক্তিশালী পিপিপি খাত গড়ে উঠবে বলে মনে করে সংগঠনটি।

এফএ/এসবি

 
.



আলোচিত সংবাদ