বিশ্ব ডিম দিবসে ভিন্ন স্বাদে ডিমের ২০ পদ!

ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫

বিশ্ব ডিম দিবসে ভিন্ন স্বাদে ডিমের ২০ পদ!

পরিবর্তন ডেস্ক ১:১৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০১৮

বিশ্ব ডিম দিবসে ভিন্ন স্বাদে ডিমের ২০ পদ!

আজ বিশ্ব ডিম দিবস। পুষ্টিগুণে ভরপুর, সহজলভ্য, আর যে কেউ যেভাবে ইচ্ছা রান্না করতে পারেন ডিম। কথায় আছে ‘গরম হোক বা ঠাণ্ডা রোজ খাও আণ্ডা’ ডিমের উপকারিতা এতো যে আমাদের রোজ ডিম খাওয়া উচিৎ কারণ দুধের পর পুষ্টি গুণের দিক দিয়ে ডিম সবার চেয়ে এগিয়ে। আর ডিমের উপকারের কথা তো আমরা সবাই জানি। রান্না করা সহজ। ঝাল মিষ্টি যে কোনো স্বাদেই রান্না করা যায়। আর সাস্থের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় ডিম মস্তিষ্কের জন্য উপকারি, হাড় মজবুত, ওজন নিয়ন্ত্রন, নখ ও চুলের স্বাস্থ্য উন্নত, দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিসহ আমাদের দেহের অনেক উপকার করে থকে। এছাড়া ডিম সহজেই হজম হয়। বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে আপনাদের জন্য আমাদের আয়োজনে থাকছে ডিমের নানান পদ।

১. এগ ডোনাট


উপকরণ:
সিদ্ধ ডিম ২টি,
সিদ্ধ ডিমের হলুদ অংশ ২ কাপ,
সিদ্ধ আলু আধা কাপ,
পেঁয়াজ কুঁচি ২ টেবিল চামচ,
পুদিনাপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ,
কাঁচামরিচ কুচি ১ চা-চামচ,
গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ,
লবণ স্বাদ মতো,
ফেটানো ডিম ১টি,
ভাজার জন্য তেল ২ কাপ ও ব্রেডক্রাম্ব পরিমাণ মতো।
প্রণালি : প্রথমে সিদ্ধ ডিম খুব সাবধানে গোল আকারে কেটে কুসুম বের করে নিন। অন্য পাত্রে তেল ও ব্রেডক্রাম্ব বাদে বাকি সব উপকরণ ভালোভাবে মেখে নিন। এবার হাতে সামান্য তেল মাখিয়ে পরিমাণমতো মিশ্রণ নিয়ে খুব সাবধানে ডিমের গোল সাদা অংশ রেখে চারপাশ থেকে মুরিয়ে ডিমের গোলায় চুবিয়ে ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে ২০ মিনিট ফ্রিজে রাখুন। এবার তেলে দুপাশ ভেজে তুলে পরিবেশন করুন।

২. ডেভিল এগ


উপকরণ:
ডিম ৮টি (হার্ড বয়েলড)
মেয়োনেজ ১ টে চামচ
গোল মরিচের গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ
যেকোনো মিষ্টি আচার তেল ঝরিয়ে হাফ চা চামচ (ইচ্ছা)
পিঁয়াজ কলি কুচি ২ টা চামচ (আপনি চাইলে লেমন জেট ব্যবহার করতে পারেন)
প্যাপরিকা পাউডার হাফ চা চামচ

প্রণালি:
খুব ভালোভাবে ডিম সেদ্ধ করে নিন। তারপর ডিমগুলো ছিলে মাঝ বরাবর ২ ভাগ করে কেটে নিন। এরপর খুব সাবধানে কুসুম বের করে নিন (যেন ডিম ভেঙে না যায়)। পেঁয়াজ কলি আর প্যাপরিকা পাউডার বাদে বাকি সবকিছু চামচের সাহায্যে ভালো করে মিক্স করে নিতে হবে।
এবার কেকের ক্রিম ডিজাইন করার জন্য পাইপিং ব্যাগ ব্যবহার করা হয়, সেটার ভেতরে ডিমের কুসুম ভরে পছন্দ মতো নজেল দিয়ে ডিমের সাদা অংশের ভেতরে পছন্দ মতো ডিজাইন করে নিন।
পরিবেশনের আগে পেঁয়াজ কলি/লেমন জেট ও প্যাপরিকা পাউডার ডিমের ওপর ছড়িয়ে দিন। ব্যাস ডেভিলড এগ প্রস্তুত।

৩. চাইনিজ আচারি ডিম


উপকরণ
ডিম ১০ টি,
বেগুন ১ টি,
পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ (বেরেস্তা করে নিতে হবে),
তেল ২ টেবিল চামচ,
তেজপাতা,
দারুচিনি ১ পিস,
এলাচি ৩ পিস,
পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ,
রসুন বাটা ১চা চামচ,
আদা বাটা ২চা চামচ,
জিরা গুড়া ১চা চামচ,
হলুদ গুরা ১চা চামচ,
মরিচ গুড়া ১ টেবিল চামচ বা স্বাদমতো,
গরম মশলা গুড়া আধা চা চামচ,
কাঁচামরিচ ফালি করে কাটা ৫/৬টি,
ধনে পাতা পরিমাণ মতো,
আম বা জলপাইয়ের আচার ২ টেবিল চামচ,
পানি এক থেকে দের কাপ,
লবণ ১চা চামচ বা স্বাদ মতো
চিনি ১চা চামচ।

প্রণালি
ফুটন্ত পানিতে ডিম দিয়ে ঢেকে ঘড়ি ধরে ৫ মিনিট সিদ্ধ করে সরাসরি বরফ শীতল পানিতে ১০ মিনিট ডুবিয়ে এরপর ছিলে নিবেন। এতে কুসুমটা নরম থাকবে। বেগুনের গায়ে হালকা করে তেল মেখে পুড়িয়ে চামড়া ছিলে হাফ কাপ পানিসহ কচলে নিন।

হাঁড়িতে তেল দিয়ে কাটা পেঁয়াজ ভেজে বেরেস্তা করে তুলে রাখুন। এরপর বাকি তেলে গরম মশলার ফোঁড়ন দিয়ে বাটা ও গুরা মশলা দিয়ে সামান্য পানি দিয়ে ৪/৫ মিনিট মাঝারি আঁচে কষিয়ে নিন।

এবার বেগুন পোড়া পেস্টটি দিয়ে আরো ২ মিনিট কষিয়ে বেরেস্তা, ১ কাপ পানি, লবণ, চিনি ও কাঁচামরিচ দিয়ে ঢেকে দিন।

আচারটা আধা কাপ পানি দিয়ে কচলে পেস্ট বানিয়ে রাখুন। ৫/৬ মিনিট পর সিদ্ধ ডিম ও আচারের পেস্টটা দিয়ে নেড়েচেড়ে ঢেকে ২ মিনিট অল্প আঁচে রান্না করুন। ধনেপাতা ছরিয়ে নামিয়ে নিন এবং পরিবেশন করুন।

৪. হরেক রকম অমলেট :


উপকরণ:
স্বাদ বাড়াতে সাধারণ ডিম ভাজাতেই যোগ করুন টমেটো, ধনে পাতা ও চাট মশলা।

এগ ফ্রিটাটা তৈরি করতে চাইলে ডিম ফেটিয়ে প্যানে ছড়িয়ে দিন সমান করে। এর ওপরে দিয়ে দিন মাংস, সসেজ, ক্যাপ্সিকাম, মাশরুম ইত্যাদি টপিং। অল্প আঁচে ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন। জমাট কেকের মতো হলে নামিয়ে নিন।

আবার চীজ অমলেট করতে চাইলে প্যানে ফেটানো ডিম দিয়ে দিন। এর ওপরে চীজ ছড়িয়ে দিন। নিচের অংশ রান্না হলে মাঝ থেকে দুটি ভাঁজ করে দিন। ভালো করে ভেজে নামিয়ে নিন।

৫. ফ্রেঞ্চ টোস্ট:


বোম্বাই টোস্ট বলুন কিংবা ফ্রেঞ্চ টোস্ট, ডিম আর পাউরুটি দিয়ে নাস্তা করতে চাইলে এর চাইতে সেরা উপায় আর হয় না। মিষ্টি ফ্রেঞ্চ টোস্ট খেতে চাইলে ডিমকে দুধ ও চিনি দিয়ে ফেটিয়ে নিন। এই মিশ্রণে পাউরুটি ডুবিয়ে মাখন বা ঘি দিয়ে ভেজে নিন। ফল, সিরাপ ও ক্রিমের সাথে পরিবেশন করুন। আর ঝাল খেতে চাইলে ডিমের সাথে দুধ, কাঁচামরিচ-পেঁয়াজ, চাট মশলা ও মরিচের গুঁড়ো দিয়ে ফেটিয়ে নিন। তারপর তৈরি করে নিন ফ্রেঞ্চ টোস্ট।

৬. রুটি-পরোটার সাথে মজাদার ডিম ঝুরি:


ভাজির বদলে এই খাবারটি বেশ চলবে রুটি পরোটার সাথে। ডিম ফেটিয়ে ঝুরি করে রাখুন। এবার তেলের মাঝে পিঁয়াজ ও লবণ দিয়ে ভাজুন। পিঁয়াজ একটু নরম হলে হলুদ, মরিচ ও ধনে গুঁড়ো দিয়ে দিন। অল্প পানি দিয়ে মশলা কষান। সামান্য টমেটো সস দিন। মশলা কষে গেলে ডিম ঝুরি ও জিরা গুঁড়ো দিয়ে দিন। কাঁচামরিচ দিন। মাখা মাখা ভাজা হলে নামিয়ে নিন।

৭. ডিম-বেগুনের যুগলবন্দী


উপকরণ:
ডিম ৪টা
বেগুন ২টি
আধা চা চামচ হলুদ
আধা চা চামচ মরিচ
আদা বাটা ১ চা চামচ
রসুনবাটা ১ চা চামচ
জিরা আধা চা চামচ
এলাচ ২টি গুড়ো করা
পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
তেল
লবণ পরিমাণ মতো।

প্রণালি: ডিম সেদ্ধ চুলায় বসিয়ে বেগুন ২টা ডুমো ডুমো করে কেটে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ডিম সেদ্ধ হলে খোসার একটি টুকরো দিয়ে ডিমের গায়ে লম্বালম্বি ৩/৪টি আঁচড় দিয়ে দিন। ডিমে হলুদ, মরিচ, লবণ মাখিয়ে হালকা করে ভেজে তুলুন। বেশি ভাজলে উপরের চামড়া শক্ত হয়ে যায়। না ভাজলেও চলে তবে একটু ভেজে নিলে দেখতে সুন্দর লাগে। ডিম ভাজার পর ওই মসলার মাঝে বেগুনের টুকরোগুলো মাখিয়ে নিন। অল্প একটু লবণ দিতে পারেন। এখন বেগুনের টুকরোগুলোও ভেজে তুলুন। একটি কড়াই চুলায় দিন। পরিমাণমতো তেল দিন। (তেল কম ব্যাবহার করার চেষ্টা করবেন) তেল গরম হলে পেঁয়াজকুচি ও লবণ দিয়ে ভাজুন। হালকা বাদামী রঙ হলে ১ কাপ পানি দিয়ে বাকি সব মসলা দিয়ে ভালো করে কষান। প্রয়োজনে আরও পানি দিয়ে কষান। কষান হলে ডিম ও বেগুন ভাজা দিয়ে এমন আন্দাজে পানি দিন যাতে নামানোর সময় ঝোলটা মাখা মাখা থাকে। তরকারি নামানোর আগে এক চিমটি ভাজা জিরার গুড়ো উপরে ছিটিয়ে নামিয়ে ভাত/রুটি বা খিচুড়ির সাথে পরিবেশন করুন।

৮. ডিম সুন্দরী তাওয়া কেক


উপকরণ:
ডিম দুটি,
চালের গুঁড়া আধা কাপ,
ময়দা আধা কাপ,
চিনি এক কাপ,
গুঁড়া দুধ আধা কাপ,
লবণ স্বাদমতো,
তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি: ডিম ও তেল ছাড়া বাকি উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে পাতলা মিশ্রণ তৈরি করুন। কড়াইতে ডিম ভাজার জন্যে তেল ঢেলে দিন। তেল গরম হলে ডিম ভেজে নিন। এবার ভাজা ডিম মিশ্রণে ডুবিয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিন। ভাজা হলে উঠিয়ে মিশ্রণে ডুবিয়ে আবার ভেজে নিন। এভাবে ৭-৮ বার ভেজে নিন। তারপর ছুরি দিয়ে পাতলা করে কেটে সার্ভিং ডিশে সাজিয়ে পরিবেশন করুন ডিম তাওয়া পিঠা বা ডিম সুন্দরী পিঠা

৯. ডিম কেক


উপকরণ
ডিম ২টি
খালি ডিমের খোসা ৬টি
ময়দা ১ কাপ
চিনি ১ কাপ
তেল আধা কাপ
ভ্যানিলা এসেন্স আধা চা-চামচ
লবণ স্বাদ মতো
বেইকিং পাউডার আধা চা-চামচ
বেকিং সোডা আধা চা-চামচ
হালকা গরম দুধ ১ কাপ এবং কুসুম গরম দুধ ৩ টেবিল-চামচ।
কোকো পাউডার ২ টেবিল-চামচ।

প্রণালি:
ডিম কেকের জন্য কাপ কেক বানানোর প্যান লাগবে। আর বড় পাতিলের নিচে বালি দিয়ে আগে পাতিল গরম করে নিন।

প্রথমে ডিমগুলো আস্তে আস্তে করে বাইরে ধুয়ে নিন। এবার বড় কোনো সুই দিয়ে আস্তে আস্তে খুব সাবধানে ছিদ্র করুন। তারপর ডিমের ভিতরের অংশ বের করে নিন।

এই ডিমের অংশ দিয়ে কেক বানাতে হবে।
এবার খালি ডিমের খোসাগুলো পানি দিয়ে ভিতরে ভালো মতো ধুয়ে একটা পাত্রে লবণ পানি দিয়ে সেখানে ৩০ মিনিটের মতো ডুবিয়ে রাখুন। তারপর তুলে ভালো মতো পানি মুছে ভিতরে একটু তেল দিয়ে ডিমের খোসাগুলোর বাইরে তেল মেখে রাখুন।

প্রথমে ডিমের ভেতরের হলুদ অংশ আর চিনি ভালো মতো ব্লেন্ড করে নিন। তারপর আবার তেল দিয়ে ব্লেড করুন। এবার ময়দা, লবণ, বেইকিং পাউডার, বেইকিং সোডা ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে ডিম-চিনির মিশ্রণে আস্তে আস্তে লিকুইড মিক্সারে দিয়ে মিশিয়ে নিন। সঙ্গে ভ্যানিলা এসেন্স আর কুসুম গরম দুধ মেশান।

এবার মিশ্রণটা সমান দুই ভাগ করুন। তারপর কুসুম গরম দুধে কোকো পাউডার মিশিয়ে এক ভাগ মণ্ডে মেশান। আরেক ভাগে কোকো পাউডার মেশাবেন না। সেটা সাদাই থাকবে।

এখন সসের বোতলে ভরে নিন। এবার কাপ কেকের প্যানে আলুনিয়াম ফয়েল দিন যেন ডিম বসে থাকে। এবার ডিম বসিয়ে আস্তে আস্তে ভিতরে চকলেট লেয়ার দিন এরপর ভ্যানিলা লেয়ার বা সাদা লেয়ার দিন।

পুরো ডিম ভরে দেবেন না একটু বাকি রাখবেন। কারণ কেক ফুলে ওপরে চলে আসবে।
সব তৈরি হলে চুলায় গরম করতে দেওয়া পাতিলের বালিতে বসিয়ে দিয়ে উপরে ঢাকনা দিয়ে দিন। ৩০ মিনিট পর পরীক্ষা করুন। হয়ে আসলে নামিয়ে নিন।

ঠাণ্ডা হলে বাইরে বের হয়ে যাওয়া কেক ছুরি দিয়ে পরিষ্কার করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজার চুলায় বানানো ডিমের কেক।

১০. ইটালিয়ান স্ক্র্যাম্বল্ড এগ


উপকরণ:
ডিম ৪টি,
দুধ ২ টেবিল চামচ,
লবণ স্বাদ মতো,
কুচি পেঁয়াজ ১/২ চা চামচ,
কাঁচা মরিচ কুচি ১/২ চা চামচ,
তেল ১ টেবিল চামচ,
বাটার ১ টেবিল চামচ,
পনির গ্রেট ২ টেবিল চামচ,
গোল মরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ,
গাজর গ্রেট সিদ্ধ করা ৩ টেবিল চামচ।
টোমেট এক অথবা দুই টি

প্রণালি: ডিম, দুধ, লবণ ও গোলমরিচ এক সাথে বিট করুন বিটার দিয়ে। চুলায় প্যান বসিয়ে দিন মাঝারি আঁচে। এরপর পেঁয়াজ, মরিচ কুচি ও গাজর ৫ মিনিট ভাজুন। জ্বালটা মাঝারি থেকে কমিয়ে ডিম দিয়ে দুই মিনিট ভাজুন। এবার পনির দিয়ে ৩০ সেকেন্ড ভেজে মাখন ও টোমেট দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন। ব্রেড টোস্ট দিয়ে পরিশেন করুন।

১১. স্প্যানিশ অমলেট


উপকরণ:
ডিম- ৬/৭ টি
ক্যাপ্সিকাম- ১/২ কাপ (কুঁচি করে কাটা)
টমেটো- বড় একটা (কুঁচি করে কাটা)
পেয়াজ কুচি- ১/২ কাপ
গোল মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ
লবণ- পরিমান মতো
চীজ- ২ টেবিল চামচ (ইচ্ছা)
বাটার- ২ টেবিল চামচ
যদি আলু দিতে চান তাহলে আলু- ১/২ কাপ (গোলগোল পাতলা করে কাটা। ৫/৬ মিনিট গরম পানিতে সিদ্ধ করে নিন। নরম হওয়ার জন্য।)
এছাড়া আপনি চাইলে পছন্দ মতো ফুলকপি, গাজর, ব্রোকলি, বাঁধাকপি, বরবটি, পেঁয়াজের কলি অথবা যেকোনো সিজনাল সবজি দিতে পারেন।

প্রণালি:
গোলমরিচ আর লবণ দিয়ে ডিম ফাটিয়ে নিন। তারপর ফাটানো ডিমে বাকি সব উপকরণ হালকাভাবে মিশিয়ে নিন। বড় ননস্টিক প্যানে বাটার গলিয়ে নিন। বাটার গলে এলে এতে ডিমের মিশ্রণ দিয়ে ছড়িয়ে দিন। (এমনভাবে ছড়াবেন যেন পাতলা না হয়ে যায়)

এবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে হালকা আঁচে ১৫ মিনিট রান্না করুন। মাঝে মাঝে দেখে নিন যাতে নিচে পুড়ে না যায়। দুই দিক হয়ে গেলে নামিয়ে আপনার পছন্দ মতো কেটে গরম গরম পরিবেশন করুন।
আপনি চাইলে এর সাথে চাটনি, সস, ক্যাচাপের সাথে খেতে পারেন। তাহলে আরো স্বাদ লাগবে।

১২. ডিমের আচার


উপকরণ:
ডিম- ১২ টি (ভালো করে সেদ্ধ ও খোসা ছাড়ানো)
সাদা ভিনেগার ৪ কাপ (১ লিটার সমপরিমাণ)
পানি ১ কাপ (২৫০ মিলি)
চিনি- ১ টেবিল চামচ (মিহি চিনি হতে হবে )
আচারের মসলা- ২ চা চামচ (১০ গ্রাম )
লবণ- ১ চা চামচ (৫ গ্রাম )
বড় কাঁচের জার ১ টি।

প্রণালি: প্রথমে ডিমগুলো ভালো করে সেদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন। (ডিমের ভেতরে যেন কাঁচা না থাকে) একটি পাত্রে ভিনেগার, পানি, চিনি, আচারের মসলা ও লবণ একসাথে রাখুন।
এবার পাত্রটি চুলায় দিয়ে অল্প আঁচে ১০ মিনিট রান্না করুন। নাড়তে থাকুন চিনি না গলা পর্যন্ত। ( আপনি চাইলে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে আচারের মসলা আলাদা করে ফেলতে পারেন)
একটি কাঁচের জারে ডিমগুলো রাখুন তার উপরে গরম তরলটা ঢেলে দিন। জারের মুখ ভালো করে বন্ধ করুন, যেন বাতাস প্রবেশ করতে না পারে। ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রাখুন। খাওার আগে অন্তত ২ দিন ফ্রিজে রাখুন।

স্পাইসি করতে চাইলেঃ লিকুইড তৈরি করার জন্য উপরের সব উপকরণের সাথে যোগ করুন। সাথে আস্ত সরিষা, আস্ত ধনিয়া, হলুদ গুড়া, সব ১/৪ চা চামচ। এবং ১০টি লবঙ্গ, ১ টি স্টার আনিস ২টি শুকনো মরিচ, ১টি তেজপাতা, ১ চা চামচ গোলমরিচ। ১ টি মিডিয়াম সাইজ পেঁয়াজ (কুচি করে কাটা)। এবং ব্যবহারের আগে ফ্রিজে অন্তত ১ মাস রাখুন।

১৩. ডিমের পুডিং


উপকরণ:
দুধ পৌনে ১ লিটার,
চিনি স্বাদ মতো, ডিম ৪ টি,
আধা টেবিল চামচ ঘি বা মাখন গলিয়ে নেওয়া

প্রণালি: ফুল ক্রিম দুধ নিয়ে প্যানে জ্বাল দিয়ে অর্ধেক পরিমাণে করে ফেলুন এবং নামিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন। একটি বাটিতে ডিম নিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে এতে চিনি দিয়ে ফেটাতে থাকুন। খুব ভালো করে ফেটানো হয়ে গেলে এতে দিন ঘি বা মাখন। আরও খানিকক্ষণ ফেটিয়ে নিন।

একটি পুডিং বাটি অথবা আপনি যেটাতে পুডিং বানাতে চান সেই বাটি নিয়ে কিছু চিনি তলায় ছড়িয়ে দিন। প্রায় ১ চা চামচ পরিমান চিনি বাটিতে ছড়িয়ে কয়েক চামচ পানি দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। চিনি গলে মিশে শিরা তৈরি হয়ে লাল হয়ে ক্যারামেলের মতো তৈরি হয়ে যাবে। বাটিতে ক্যারামেল বসে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে বাটিটি ঠাণ্ডা করুন।

এবার ডিম-চিনির মিশ্রনে ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া দুধ ঢেলে ভালো করে মিশিয়ে নিন। মনে রাখবেন যদি দুধ সামান্য গরম থাকে তবে ডিমকে জমাট করে ফেলবে। তাই দুধ খুব ঠাণ্ডা করে নিয়েই মেশাতে হবে। এরপর ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া পুডিং বাটিতে পুরো মিশ্রণটি ঢেলে দিন। একটি বড় সসপ্যান পানি দিয়ে চুলায় দিন। পানি যেন পুডিং বাটির অর্ধেক হয়।

সসপ্যান ভালো করে ঢেকে উপরে ভারী কিছু দিয়ে চাপা দিন। পানিতে বলক আসলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। ২০-২৫ মিনিটের মধ্যেই পুডিং হয়ে যাবে, তাই সতর্ক থাকুন। চুলা থেকে নামানোর আগে একটি কাঠি দিয়ে পুডিং ঠিকমতো হয়েছে কিনা পরীক্ষা করে নিন। এরপর পুডিংএর বাটি একটু ঠাণ্ডা হলে একটি ছড়ানো প্লেটে উল্টো করে দিন। এতে পুডিংয়ের ক্যারামেল অংশটি উপরে আসবে। ব্যাস হয়ে গেল সুস্বাদু পুডিং।

১৪. পোস্তা দানায় ডিম


উপকরণ :
চারটা ডিম,
পোস্তদানা চার টেবিল চামচ,
পিঁয়াজ তিনটা কুচি করা,
আদা বাটা এক চা চামচ,
রসুন বাটা আধা চা চামচ,
হলুদ গুঁড়ো এক চা চামচ,
মরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ,
কাঁচামরিচ দুটো কুচি করা,
তেজাপাতা দুটো,
চারটা এলাচ
লবঙ্গ চারটা,
এক টুকরো দারুচিনি,
ছয় টেবিল চামচ সর্ষের তেল
লবণ স্বাদ মতো

প্রণালি: পোস্তদানা ভিজিয়ে রাখুন এক ঘন্টা। এরপর কাঁচামরিচের সাথে বেটে নিন। ডিমগুলোকে হার্ড বয়েল অর্থাৎ ভালো করে সেদ্ধ করে নিন। যেন শক্ত হয়ে থাকে। এরপর লম্বালম্বি অর্ধেক করে কাটুন। এবার লবণ, হলুদ, মরিচ গুঁড়ো সাবধানে মাখিয়ে নিন যাতে ডিমগুলো ভেঙে না যায়। তারপর চ্যাপ্টা একটি ফ্রাইপ্যানে ডিমের কাটা অংশ নিচের দিকে দিয়ে ডিমগুলোকে ভেজে নিন। একদিক ভাজা হলে উল্টে ওপর দিকটি ভেজে নিন। এরপর উঠিয়ে রাখুন। এরপর ওই একই প্যানে বাকি তেলটুকু দিয়ে দিন। তেল গরম হলে এতে দিন তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি এবং ৩০ সেকেন্ড নেড়েচেড়ে ভেজে নিন। এরপর এতে দিন পিঁয়াজ, রসুন এবং আদা। পিঁয়াজ হালকা ভাজা ভাজা হয়ে এলে হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো এবং আধা কাপ পানি দিন। জ্বাল কমিয়ে কষাতে থাকুন যাতে পিঁয়াজ পানিতে নরম হয়ে আসে। মশলার ওপর তেল চলে এলে পোস্তদানা বাটা দিয়ে দিন। ভালো করে কষিয়ে নিন, তেল ওপরে উঠে আসলে ঝোলের মাঝে ভাজা ডিমগুলো ছেড়ে দিন। এক মিনিটের মতো ঝোলে রান্না করুন। চুলা বন্ধ করে সার্ভিং ডিশে সাজিয়ে নিন। গরম গরম ভাত অথবা পোলাউয়ের সাথে পরিবেশন করুন।

১৫. এগ স্যান্ডউইচ


উপকরণ: পাউরুটি চার পিস, ক্যাপসিকাম কুচি দুই টে. চামচ, লেটুস পাতা। সেদ্ধ ডিম দুটি, মেয়োনেজ চার চা চামচ, টমেটো একটি, পেঁয়াজ রিং করে কাঁটা অল্প, গোলমরিচের গুঁড়া স্বাদমতো, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: প্রথমে একটি বাটিতে ডিম, মেয়োনেজ, লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া ভালো করে মিশিয়ে নিন। পাউরুটির ওপর এই মিশ্রণ ভালো করে ছড়িয়ে দিন। এর ওপর টমেটো কুচি, পেঁয়াজ রিং, ক্যাপসিকাম ও লেটুস পাতা দিন। এবার অন্য একটি পাউরুটি দিয়ে ঢেকে দিন। অল্প আঁচে সামান্য ঘি দিয়ে ৩০ সেকেন্ড পাউরুটির দুই পাশ সেঁকে নিন। ব্যস, খুব সহজেই তৈরি হয়ে গেল স্বাস্থ্যকর এগ স্যান্ডউইচ।

১৬. ডিম বিরিয়ানি:


উপকরণ:
কাপ বাসমতি চাল,
৪টি বড় ডিম,
একটি পেঁয়াজ কুচি,
১০ টি কাঁচা মরিচ ফালি করা,
একটি তেজপাতা,
৪টি লবঙ্গ,
আধা চা চামচ মরিচের গুড়া,
একটা দারুচিনি,
এক চা চামচ আদা
রসুন বাটা, ১ চা চামচ
পোলাও-এর মসলা,
দুই টেবিল চামচ তেল,
লবণ স্বাদ মতো।

প্রণালি: প্রথমে ছয়টি ডিম সেদ্ধ করে ছিলে তেল দিয়ে ভেজে নিন। এরপর বড় প্যানে তেল গরম করে সব মসলা একসাথে দিয়ে দিন। কয়েক সেকেন্ড পর এর মধ্যে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, আদা-রসুন বাটা দিন। এগুলো লাল রং না হওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। এরপর দুটো ডিম ভেঙ্গে এর মধ্যে দিন। পরে চাল দিয়ে মিনিট খানেক ভেজে নিয়ে এতে লবণ দিন। এরপর সিদ্ধ ডিমগুলো এর মাঝে ছেড়ে দিয়ে চার কাপ পানি দিন। চাল সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত ঢাকনা দিয়ে রাখুন। চাল আধা সিদ্ধ হয়ে আসলে পোলাও-এর মসলা, লেবুর রসের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন হাঁড়িতে দিয়ে নেড়েচেড়ে দিন। আবার পানি ফুটানো পর্যন্ত ঢেকে রাখুন। বিরিয়ানি হয়ে আসলে এর উপর ধনে পাতা ছিটিয়ে দিয়ে নামিয়ে ফেলুন। এরপর গরম গরম পরিবেশন করুন।

১৭. ডিমের কোরমা


উপকরণ:
সিদ্ধ করা ডিম ৫টি,
পেঁয়াজকুচি আধা কাপ,
পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ,
আদাবাটা আধা টে. চামচ,
রসুনবাটা আধা টে.চামচ,
ধনেগুঁড়া ১ চা চামচ,
ভাজা জিরাগুঁড়া ১ চা চামচ,
মরিচগুঁড়া আধা চা চামচ,
টক দই ৪ চা চামচ, নারিকেলের দুধ ১ কাপ,
ঘি ১ টেবিল-চামচ,
কাঁচামরিচ ১০টি বা স্বাদ অনুযায়ী,
তেজপাতা ২টি,
এলাচ ৩টি
দারুচিনি ২টি,
কিশমিশ ৩,৪টি,
তেল ১/৪ কাপ।

প্রণালি: প্রথমে পরিবেশনের জন্য কিছু পেঁয়াজ ও বেরেস্তা রেখে, বাকি বেরেস্তার সঙ্গে দই দিয়ে ব্লেন্ডারে মিশিয়ে নিন। তেল একটু গরম করে সিদ্ধ ডিমগুলো ভেজে আলাদা রাখুন। এবার এই তেলেই তেজপাতা, এলাচ, দারুচিনি দিয়ে পেঁয়াজ হালকা ভেজে নিন। এরপর আদাবাটা, রসুনবাটা আর লবণ দিন। ভাজা ভাজা হলে ধনেগুঁড়া, ভাজা জিরাগুঁড়া ও মরিচগুঁড়া দিয়ে পানি দিন। সঙ্গে পেঁয়াজ-বেরেস্তা, দইয়ের মিশ্রণ, নারিকেলের দুধ, কাঁচামরিচ ফালি দিয়ে দিন। ভাজা ডিম সঙ্গে ঘি এবং কিশমিশ দিয়ে ঝোল হালকা ঘন হওয়া পর্যন্ত রান্না করতে থাকুন। রান্না শেষ হলে নামিয়ে বেরেস্তা ছড়িয়ে পোলাউ অথবা ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।

১৮. ডিম বেগুনের খাগিনা


উপকরণ: বেগুন- ২ টা বড়,
ডিম- ১ টা, কাঁচামরিচ- স্বাদ মতো,
পেঁয়াজ (মাঝারি)- ২ টা (একটু মোটা করে কাটা),
ধনেপাতা- ২ টেবিল চামচ,
সরিষার তেল- ২ টেবিল চামচ,
লবণ- স্বাদ মতো

প্রণালি: প্রথমে বেগুন ধুয়ে মুছে নিন। তারপর হাতে একটু তেল নিয়ে বেগুনের গায়ে মাখিয়ে দিন। এরপর বেগুন চুলায় পোড়াতে দিন। পোড়ানো হয়ে গেলে খোসা ছাড়িয়ে নিন (পানিতে ভিজিয়ে নিলে সহজেই খোসা ছাড়ানো যায়)। এরপর একটি পাত্রে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, অর্ধেকটা তেল, ধনেপাতা, ও লবণ ভর্তার মতো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি থেকে পানি বেরিয়ে এলে এর সাথে বেগুন দিয়ে মাখুন। ভালোভাবে মাখতে হবে যেন বেগুনে আঁশআঁশ না থাকে। মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হলে একটা ডিম ভেঙে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর চুলায় কড়াইতে বাকি তেল দিয়ে দিন। তেল গরম হয়ে এলে মিশ্রণটি ঢেলে দিয়ে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন এবং ঘন ঘন নাড়তে থাকুন। ৬-৭ মিনিট পর তেল বেরিয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।

১৯. কোয়েলের ডিম বিরিয়ানি


উপকরণ :
সিদ্ধ ডিম কোয়েল পাখির হলে ১ ডজন (কম বেশি দিতে পারেন)/ অথবা মুরগির ডিম ৪ টি
২ কাপ পোলাওয়ের চাল (ধুয়ে ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রেখে পানি ঝরানো)
টমেটো কুচি ১ টি
পেঁয়াজ কুচি ১/২ কাপ
আদা-রসুন বাটা দেড় চা চামচ করে
হলুদ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ
মরিচ গুঁড়ো ১ চা চামচ ( ইচ্ছেমত )
বিরিয়ানি মসলা ১ চা চামচ
দারুচিনি , এলাচ , লবঙ্গ ২-৩ টি করে .
তেল/ঘি প্রয়োজন মতো
বেরেস্তা ( ইচ্ছে )
কাঁচামরিচ ৩-৪ টি. ( ইচ্ছেমত)
লবণ স্বাদমতো
ধনে পাতা ইচ্ছে.

প্রণালি :একটি প্যানে তেল গরম করে এতে গরম মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে সামান্য হলুদ গুঁড়ো দিয়ে ডিমগুলো লাল করে ভাজুন। সামান্য বিরিয়ানি মসলা দিয়ে নেড়েচেড়ে ডিমগুলো নামিয়ে আলাদা করে রাখুন। এখন সেই তেলেই পেঁয়াজ কুচি দিয়ে লাল করে ভেজে বাটা মসলা, বাকি হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো দিয়ে অল্প পানি দিয়ে ভালো মতো কষান।

তেল ভেসে উঠলে টমেটো দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে বিরিয়ানি মসলা দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ রান্না করে এবার চাল দিয়ে দিন। চালে লবণ দিয়ে ভালো মতো মসলা ভেজে প্রয়োজন মতো ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে চাল সিদ্ধ হতে দিন।

পোলাও হয়ে আসলে কিছু পোলাও তুলে নিয়ে এর মধ্যে আগে থেকে ভেজে রাখা ডিমগুলো বিছিয়ে দিয়ে সামান্য বিরিয়ানি মসলা, পেঁয়াজ বেরেস্তা, ধনে পাতা দিয়ে আবার পোলাও দিয়ে ঢেকে দিন। ১০ মিনিট দমে রেখে পরিবেশন করুন ধনে পাতা/পুদিনা চাটনি অথবা রায়তার সাথে।

২০. মুঘল স্বাদের মোগলাই পরটা:


উপকরণ :
ময়দা ৩ কাপ
ডিম ৫টি,
তেল/ঘি ২ টেবিল চামচ (ময়দা মাখানোর জন্য)
পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
কাঁচা মরিচ কুচি পরিমাণমতো
লবণ স্বাদ মতো
মাংসের কিমা ১০০ গ্রাম (ইচ্ছা)

প্রণালি: প্রথমে ময়দা, লবণ ও তেল একসাথে ময়ান করে পানি দিয়ে নরম ডো বানিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিন। পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, ডিম ও লবণ এক সঙ্গে ফেটে নিন।

এরপর পিঁড়িতে তেল মেখে ময়দার ডো নিয়ে হাল্কা তেল মাখিয়ে রুটির মত বেলতে হবে। এই রুটি একটা ছোট হাফ প্লেটে তুলে নিন। তাহলে মাঝে ডিম ও কিমা দিয়ে ভাঁজ করতে সুবিধা হবে।

হাল প্লেটে রাখা রুটির মাঝে ফেটানো ডিম ছড়িয়ে দিন। তার উপর মাংসের কিমা ছড়িয়ে দিন। তারপর চার পাশ থেকে চার ভাঁজে ভাঁজ করে নিতে হবে। ভাঁজটা এমন হতে হবে যেন ভেতরের কিছু বাইরে বেরিয়ে না আসে। প্লেটে থাকার কারণে রুটির মাঝে হাল্কা গর্ত থাকবে, তাই ডিম বের হয়ে যাবে না। এবার সাবধানে পরোটা তেলে দিয়ে দিন। ছড়ানো ফ্রাই প্যানে ভাজলে দিতে সুবিধা হবে। ডুবোতেলে হালকা বাদামি করে পরটা ভেজে নিতে হবে। ভেতরে ডিম রান্না হয়ে গেলে পরটা ফুলে ফেঁপে উঠবে। খুব বেশি জ্বাল থাকলে কিন্তু ডিম ভেতরে কাঁচা রয়ে যাবে। পরোটা তেল ঝরিয়ে কিচেন টিস্যুতে রাখতে হবে। ছুরি দিয়ে ছোট ছোট করে কেটে সালাদ বা সসের সাথে পরিবেশন করতে হবে।

ইসি/