নীলফামারীর কর্মসূচি সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

নীলফামারীর কর্মসূচি সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

নীলফামারী প্রতিনিধি ৫:২৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০১৯

নীলফামারীর কর্মসূচি সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকার বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা প্রদানের লক্ষ্যে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নীলফামারীতে যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তা ব্যতিক্রম এবং মডেল। যা গোটা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে।’

নীলফামারীতে ‘মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহে বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা কর্মসূচি’র উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ফিতা কেটে ও ফলক উন্মোচন করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান।

এর আগে শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজিবুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ যে উন্নয়নের রোড মডেল করেছেন তার উদাহরণ নীলফামারী জেলা। এখান থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়। যার একটি উদাহরণ এই কর্মসূচি।’



এতে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, সিভিল সার্জন রনজিৎ কুমার বর্মণ, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ, জেলা শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রশিদ মঞ্জু, ডিমলা উপজেলার আবিউন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিরা আকতার, কিশোরগঞ্জ মডেল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী নাজনিন উর্মি এবং ইএসডিও’র জানো প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প ব্যবস্থাপক পর্শিয়া রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালায় ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুপম মহসিন রেজা।

সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে ‘মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহে বয়ঃসন্ধিকালীন শিক্ষা ও সেবা কর্মসূচি’র উদ্যোক্তা জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের মোট জনসংখ্যার এক চর্তুথাংশ কিশোর-কিশোরী। এদের শিক্ষা, জীবন, দক্ষতা ও স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করছে আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ।’

তিনি বলেন, ‘কিশোরীরা এখনো অসেচতন রয়েছে। বয়ঃসন্ধিকালীন তারা অস্বস্তিতে থাকে এবং অন্তত চার-পাঁচ দিন স্কুলে উপস্থিত হতে পারে না। এর ফলে পিছিয়ে পড়ছে পাঠ্যক্রম থেকে। তাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানো ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান এবং প্রতিষ্ঠানে কর্নার খোলা হচ্ছে। এ থেকে উপলদ্ধি হবে তাদের। এজন্যই এই কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) খলিলুর রহমান, মহাপরিচালক-১ সালাহ উদ্দিন, গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের মহাপরিচালক আশরাফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলায় ৪৬০টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরমধ্যে মাধ্যমিক ২৯০টি, মাদরাসা ১২৫টি এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৪৫টি।

এসব বিদ্যালয়ে বয়ঃসন্ধিকালীন কর্নার স্থাপন করে কিশোরীদের বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হবে।

এইচআর

 

রংপুর: আরও পড়ুন

আরও