‘কুড়িগ্রাম যাতে বন্যা কবলিত না হয় সেজন্য আমরা বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েছি’

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

‘কুড়িগ্রাম যাতে বন্যা কবলিত না হয় সেজন্য আমরা বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েছি’

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ৮:৩৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯

‘কুড়িগ্রাম যাতে বন্যা কবলিত না হয় সেজন্য আমরা বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েছি’

কুড়িগ্রামের বন্যা প্রসঙ্গে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক  বলেছেন, কুড়িগ্রাম যাতে বন্যা কবলিত না হয় সেজন্য আমরা বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েছি। ইতিমধ্যে একটি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে আরও নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এ প্রকল্পগুলো শেষ হলে কুড়িগ্রামকে বন্যা এবং নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে বাঁচাতে সক্ষম হব।

শুক্রবার দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বাংটুর ঘাট, রাজারহাট উপজেলার কালোয়ারচর, উলিপুর উপজেলার নাগড়াকুড়ি টি বাঁধ ও চিলমারী উপজেলার রমনাঘাট এলাকা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

তিস্তার ভাঙন রোধে মেগা প্রকল্প সম্পর্কে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, টেকনিক্যাল কমিটি নদীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে, সমীক্ষা চলছে। সমীক্ষা শেষ হলে পরে আমরা এটার কাজ শুরু করব। এত বড় প্রকল্প আমরা যেনতেন ভাবে কাজ শুরু করতে পারব না। আশা করছি আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে নদী ভাঙ্গন কমে আসবে। এলাকাবাসী যাতে বন্যায় প্লাবিত না হয়, ক্ষয়ক্ষতি না হয় সে লক্ষেই এ সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, তিস্তা নদীকে শাসন করতে প্রতিবেশি দেশের সাথে আলোচনা চলছে। ভবিষ্যতে দুই প্রতিবেশি দেশই যাতে তিস্তার পানি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে সেজন্য দু’দেশের টেকনিক্যাল কমিটি কাজ করছে। এই তিস্তার পানি দিয়ে ভবিষ্যতে আমরা দুই দেশই উপকৃত হতে পারব।

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সাথে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মাহফুজুর রহমান, রংপুর ডিভিশনের প্রভাগের প্রধান প্রকৌশলী জ্যোতি প্রকাশ, তত্বাবধায় প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ, কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আলী, কুড়িগ্রাম সদও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন মঞ্জু প্রমুখ।

এমএইচ

 

রংপুর: আরও পড়ুন

আরও