২৫ সেপ্টেম্বরের পর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ২ কার্তিক ১৪২৬

২৫ সেপ্টেম্বরের পর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নুর আলম, নীলফামারী ৪:৩৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯

২৫ সেপ্টেম্বরের পর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নীলফামারী-ডোমার সড়কের উভয় পাশে সড়কের জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশনা দিয়ে ‘গণবিজ্ঞপ্তি’ জারি করেছে নীলফামারীর সড়ক বিভাগ।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গড়ে ওঠা স্থাপনা অপসারণ করা না হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে দফতরটি।

চার সেপ্টেম্বর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুরুল করিম স্বাক্ষরিত ‘গণবিজ্ঞপ্তি’ জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার, উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া একই নোটিস সাঁটানো হয়েছে ওই সড়কে গড়ে ওঠা বিভিন্ন বাজারে।

সড়ক বিভাগ সূত্র জানায়, উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নীলফামারী-ডোমার এবং বোদা-দেবীগঞ্জ-ডোমার সড়কের প্রশস্তকরণের কাজ দ্রুত শুরু হচ্ছে। এ কারণে সড়ক বিভাগের আওতায় অধিগ্রহণকৃত জমিতে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ জরুরি হয়ে পড়েছে। এসব স্থাপনা দখলকারীদের নিজ খরচে অপসারণ করতে নির্দেশনায় বলা হয়েছে।

সূত্র জানায়, জেলা শহরের চৌরঙ্গি থেকে নীলফামারী-ডোমার (ডোমার বাইপাস) এবং বোদা-দেবীগঞ্জ-ডোমার রেলগেট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩১ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণে ২৫০কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ইতোমধ্যে দরপত্র আহ্বানসহ দরপত্র দাতাদের মূল্যায়ন শেষ হয়েছে। এখন অপেক্ষা কার্যাদেশ দেয়ার। চারটি অংশে ভাগ করা সড়কটির প্রশস্তকরণ কাজ বাস্তবায়ন করবে চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

নীলফামারী সড়ক বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এখলাস হোসেন জানান, গেল ১২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি শেখ হাসিনা ২৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছেন। একই কাজের মধ্যে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ি-পার্বতীপুর সড়ক প্রশস্তকরণেরও কাজ রয়েছে।

তিনি জানান, ১৮ ফুটের বর্তমান সড়কটি উন্নীত হবে ৩৪ ফুটে। বর্তমান সড়কটির উভয় পাশে ৮ ফুট করে যোগ হবে। এছাড়া সড়কটি রক্ষায় উভয় পাশে বাঁধ থাকবে চার ফুট করে।

সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুরুল করিম পরিবর্তন ডটকমকে জানান, সড়কের জায়গার উপর যেসব অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে সেগুলো নিজ খরচে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অপসারণের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপসারণ করা না হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। আমরা দ্রুত কাজ শুরু করতে চাই। যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে) কাজটি শেষ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য জমি অধিগ্রহণ করাই রয়েছে। জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণও দেয়া হয়েছে ২০১১ সালে। আরো ব্যাপক প্রচারের জন্য মাইকিং করা হবে এলাকাগুলোতে।

এইচআর

 

রংপুর: আরও পড়ুন

আরও