তিস্তার পানি বিপদসীমার উপরে

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬

তিস্তার পানি বিপদসীমার উপরে

লালমনিরহাট প্রতিনিধি ৭:৩৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৯

তিস্তার পানি বিপদসীমার উপরে

অবিরাম বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তিস্তা-ধরলাসহ সব নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাটে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে তিস্তা ব্যারাজ দোয়ানী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২৫ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ফলে নতুন নতুন গ্রামসহ পানিবন্দি রয়েছে পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা, চরদহগ্রাম, হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার-পশ্চিম কাশিরাম, চর বৈরাতী, নোহালী, শৈলমারী, ভোটমারী, হাজিরহাট, আমিনগঞ্জ, কাঞ্চনশ্বরও রুদ্ধেশ্বর, আদিতমারী উপজেলার চন্ডিমারী, দক্ষিণ বালাপাড়া, আরাজি শালপাড়া, চরগোর্দ্ধন ও সদর উপজেলার কালমাটি, খুনিয়াগাছা, রাজপুর, তিস্তা, তাজপুর, গোকুন্ডা, মোগলহাট, বনগ্রামসহ নদীতীরবর্তী প্রায় ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি রয়েছে প্রায় ১০ হাজার মানুষ।

স্থানীয় প্রশাসন ত্রাণ তৎপরতা শুরু করলেও বন্যার্তরা জানিয়েছেন, তা প্রয়াজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল।

ফলে নদী তীরবর্তী এলাকার পানিবন্দি মানুষজন পরিবার-পরিজন এবং গৃহপালিত পশু নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এসব মানুষের রাত কাটছে নির্ঘুম। এছাড়াও খাদ্যাভাব, বিশুদ্ধ পানি এবং নানা সঙ্কটে রয়েছে তারা।

বন্যা দুর্গত এলাকার ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সার্বক্ষণিক তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রেখেছে পাউবো।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) দোয়ানী ডালিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে তিস্তা ব্যারাজ দোয়ানী পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্যারেজের সব গেট খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে এবং বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে।

এইচআর

 

রংপুর: আরও পড়ুন

আরও