তিস্তায় পানি বিপদসীমার উপরে, ভাঙ্গণের হুমকিতে বাঁধ

ঢাকা, সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬

তিস্তায় পানি বিপদসীমার উপরে, ভাঙ্গণের হুমকিতে বাঁধ

নুর আলম, নীলফামারী ৪:৩৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৯

উজানের ঢল আর ভারী বর্ষণে নীলফামারীতে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার পর থেকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫২.৬০) ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ডালিয়ার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সকাল থেকে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করেছে। সকাল ছয়টায় বিপদসীমার দুই সেন্টিমিটার, নয়টায় কিছুটা কমে বিপদসীমা বরাবর, দুপুর ১২টায় বৃদ্ধি পেয়ে সাত সেন্টিমিটার এবং বেলা তিনটায় ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যারেজের সবকটি জলকপাট (৪৪টি) খুলে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান পরিবর্তন ডটকমকে জানান, বুধবার রাত থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হতে থাকে। যা অব্যাহত রয়েছে। ইউনিয়নের নয়শ পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে এখনও।

টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ময়নুল হক জানান, ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়া প্লাবিত হয়ে পড়েছে চরখড়িবাড়ি ও পূর্ব খড়িবাড়ি এলাকা।

তিনি বলেন, তীব্র স্রোতে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বালুর বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে।

এদিকে জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের বানপাড়ায় তিস্তার ডান-তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙ্গণ দেখা দিয়েছে। ফলে ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ আতংকে রয়েছে। বাঁধ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড বস্তায় বালু ভরে জিও ব্যাগ ফেলে রক্ষার চেষ্টা করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারী ডিভিশনের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হাফিজুল হক পরিবর্তন ডটকমকে জানান, বাঁধের ৬০ মিটার পর্যন্ত ভাঙ্গণ দেখা দিয়েছে। আমরা জিও ব্যাগ ফেলে ১২০ মিটার পর্যন্ত রক্ষার চেষ্টা করছি।

তিনি আরো বলেন, বাঁধটি স্থায়ীভাবে রক্ষার জন্য প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, পানি বৃদ্ধির কারণে তিস্তার আশপাশ এলাকায় বসবাসরত মানুষদের মধ্যে প্রচারণা আমরা চালাচ্ছি। যাতে যেকোনো সময় নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারেন।

এএসটি/

 

রংপুর: আরও পড়ুন

আরও